Print Date & Time : 30 October 2020 Friday 10:30 pm

শিশুদের হাত ধোয়া নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা

প্রকাশ: August 8, 2020 সময়- 02:09 am

কক্সবাজারে ইউনিসেফের হাইজিন প্রমোশন স্পেশালিস্ট সিলভিয়া রামোস বলেন, এই শরণার্থী শিবিরগুলোয় ঠিকমতো হাত না ধোয়া এবং ছোট শিশুদের পানিবাহিত রোগ ডায়রিয়ায় ভোগা ছিল নিয়মিত ঘটনা।

এখন তিনি আশার আলো দেখছেন। আশাবাদী তিনি। তিনি বলেন, হাত ধোয়াকে নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত করার জন্য শিশুদের সহযোগিতার লক্ষ্যে আমাদের দরকার ছিল একটি টেকসই ও পদ্ধতিগত কর্মপন্থা। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করছে শিশুরা।

ভিত্তি তৈরি করা: ইউনিসেফের অংশীদাররা এক বছর ধরে সর্বোত্তম উপায়ে হাত ধোয়া শেখানো, এ বিষয়ে আচরণগত পরিবর্তনে উৎসাহী করা এবং কমিউনিটি, বিশেষত শিশুদের হাত ধোয়া নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার জন্য যোগ্য করে তুলতে কাজ করে আসছে।

সিলভিয়া বলেন, আমরা গত বছর হাত ধোয়া-সম্পর্কিত আচরণগত পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ প্রারম্ভিক কাজ করেছি, যা এখন কভিড-১৯ মহামারির কারণে অন্য যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি জরুরি হয়ে উঠেছে।

কভিড-১৯ জনাকীর্ণ শরণার্থী শিবিরগুলোয় ভয়ানক চ্যালেঞ্জ নিয়ে এসেছে। এসব শিবিরে আট লাখ ৬০ হাজার শরণার্থী রয়েছে, যাদের অর্ধেকই শিশু। গড়ে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৪০ হাজার শরণার্থী বসবাস করছে, যা তাদের মধ্যে এই রোগের প্রাদুর্ভাবের উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করেছে।

অভিন্ন টয়লেট, গোসলখানা ও টিউবওয়েলের মতো পানি, পয়োনিষ্কাশন ও হাইজিন অবকাঠামোগুলো অনেকে মিলে ব্যবহার করায় জটিলতা ও চ্যালেঞ্জগুলো অনেক বেড়ে যায়।

সিলভিয়া বলেন, কভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে সুরক্ষায় সাবান দিয়ে হাত ধোয়া সবচেয়ে ভালো উপায়গুলোর একটি। হাইজিন যাতে আরও বেশি মেনে চলা হয়, সেজন্য আমরা কর্মতৎপরতা সম্প্রসারণ করছি এবং শরণার্থী শিবিরগুলোয় সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার সুবিধা বাড়াচ্ছি। যথাযথভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা মেনে চলার মধ্য দিয়েই কভিড-১৯-কে পরাজিত করা না গেলেও তা এই রোগ প্রতিরোধের একটি সুযোগ তৈরি করে। এখন আমরা হাত ধোয়ার অভ্যাস তৈরিতে আরও সচেতনতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের প্রতি নজর দিচ্ছি। আমরা আমাদের ছোট দূতদের নিয়ে গর্বিত, যারা নিজেদের কমিউনিটিতে ইতিবাচক আচরণগত পরিবর্তনে জোরালো ভূমিকা রেখে চলেছে।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে