মত-বিশ্লেষণ

শিশুর স্কুলের কাজে সাহায্য করুন

অপেক্ষাকৃত বড় শিশুকে তার বয়সোপযোগী বই পড়ে শোনান বা ছবি দেখান। হালকা রঙের চকখড়ি বা পেন্সিল দিয়ে ছবি এঁকে দিন। গানের সঙ্গে নাচুন বা গান গেয়ে শোনান! একসঙ্গে কিছু একটা করুন কিছু একটা পরিষ্কার করার বা রান্না করার খেলা খেলুন। শিশুর স্কুলের কাজে সাহায্য করুন। কিশোর-কিশোরী সন্তানের ক্ষেত্রে তারা পছন্দ করে এমন কিছু নিয়ে কথা বলুন, যেমনÑখেলাধুলা, সংগীত, খ্যাতিমান ব্যক্তি বা বন্ধু। পছন্দের কোনো খাবার একসঙ্গে রান্না করুন। তাদের পছন্দের গানের সঙ্গে একত্রে শরীরচর্চা করুন। তাদের কথা শুনুন, তাদের দিকে তাকান। তাদের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিন। মজা করুন!

কভিডকালে ইতিবাচক থাকতে হবে। শিশু বা কিশোর সন্তানের কর্মকাণ্ড আমাদের পাগল করে তোলে, তখন ইতিবাচক থাকা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায়ই আমরা একটি কথা বলে শেষ করিÑ ‘এটা করা বন্ধ করো।’ আমরা শিশুদের ইতিবাচক নির্দেশনা দিলে এবং তারা কাজটি ঠিকঠাক করতে পারলে তাদের প্রশংসা করার ক্ষেত্রে আমরা যা করতে বলব, শিশুরা সেটা করতেই বেশি আগ্রহী থাকবে। শিশুকে কোনো কাজ করতে বলার সময় ইতিবাচক শব্দ ব্যবহার করুন। যেমন: অনুগ্রহ করে তোমার কাপড়চোপড়গুলো দূরে রাখো। সবকিছুই উপস্থাপনার ওপর নির্ভর করে। শিশুর সঙ্গে চিৎকার-চেঁচামেচি করলে তা কেবল আপনার ও তাদের ওপর চাপ আরও বাড়াবে এবং সবাইকে  রাগিয়ে তুলবে। আপনার শিশুর নাম ব্যবহার করে তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করুন। শান্ত স্বরে তাদের সঙ্গে কথা বলুন।

আপনার শিশু ভালো কিছু করলে প্রশংসা করুন। শিশু বা কিশোর সন্তান ভালো কিছু করলে সেজন্য তাদের প্রশংসা করার চেষ্টা করুন। তারা হয়তো এটি বুঝতে দেবে না, তবে আপনি দেখবেন তারা সেই ভালো কাজটি আবারও করবে। এটি তাদের আবার আশ্বস্ত করবে যে, আপনি তাদের প্রতি খেয়াল রাখছেন এবং তাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন।

বাস্তবতা মেনে নিন: শিশুকে যা করতে বলছেন, তারা কি সেটা করতে পারছে? ঘরের ভেতরে পুরো দিন চুপচাপ থাকা একটি শিশুর জন্য খুব কষ্টসাধ্য, তবে আপনি যখন ফোনে কথা বলবেন তখন তারা ১৫ মিনিটের জন্য চুপচাপ থাকতে পারে।

ইউনিসেফের তথ্য অবলম্বনে

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..