স্পোর্টস

শেষ ষোলোতে জুভেন্টাস-পিএসজি

ক্রীড়া ডেস্ক

দগলাস কস্তার নাটকীয় গোলে গত পরশু লোকোমোটিভ মস্কোকে হারিয়েছে জুভেন্টাস। এদিকে অন্য ম্যাচে মাউরো ইকার্দি ও কেইলর নাভাসের নৈপুণ্যে ক্লাব ব্লুজের বিপক্ষে জিতেছে পিএসজি। দুই ম্যাচের জয়ী দল উঠে গেছে চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোতে।

প্রতিপক্ষের মাঠে গত পরশু ‘ডি’ গ্রুপের ম্যাচটি ২-১ গোলে জিতে জুভেন্টাস। প্রথম দেখায় নিজেদের মাঠে দলটিকে একই ব্যবধানে হারিয়েছিল মাওরিসিও সাররির দল। অন্যদিকে এ প্রতিযোগিতায় ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে ঘরের মাঠে ১-০ গোলে জেতে পিএসজি। ক্লাব ব্ল–জের মাঠে প্রথম দেখায় ৫-০ গোলে জিতেছিল টমাস টুখেলের দল।

প্রতিপক্ষের গোলরক্ষকের ভুলে ম্যাচেই শুরুতেই এগিয়ে যায় জুভেন্টাস। তৃতীয় মিনিটে রোনালদোর নেওয়া ফ্রিকিক সামনে ড্রপ খাওয়া বল ধরতে গিয়ে তালগোল পাকান গিলেরমো। বল গোললাইন প্রায় পেরিয়েই গিয়েছিল, শেষ মুহূর্তে গিয়ে টোকা দেন অ্যারন র‌্যামজি। তবে দ্বাদশ মিনিটে আলেকসেই মিরানচুকের হেড পোস্টে বাধা পাওয়ার পর ফিরতি বল ঠেকানোর সুযোগ ছিল জুভেন্টাসের ডিফেন্ডারদের সামনে। কিন্তু তারা ছিলেন জায়গায় দাঁড়িয়ে। সে সুযোগে আলগা বল পেয়ে অনায়াসে ঠিকানা খুঁজে নেন রুশ মিডফিল্ডার মিরানচুক। এরপর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় জুভেন্টাস। বাঁদিক থেকে একাধিক খেলোয়াড়কে ফাঁকি দিয়ে হিগুয়াইনকে বল বাড়িয়ে ডিবক্সে ঢুকে পড়েন কস্তা। এরপর ফিরতি বল ধরে জোরালো শটে জয় নিশ্চিত করেন ব্রাজিলের এই উইঙ্গার।

অন্য ম্যাচে ২২তম মিনিটে এগিয়ে যায় পিএসজি। ডান দিক থেকে কলিন দাগবার বাড়ানো পাস ডিফেন্ডাররা বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে ফাঁকায় বল পেয়ে যান ইকার্দি। ঠাণ্ডা মাথায় নিখুঁত শটে লক্ষ্যভেদ করেন ছোট ডিবক্সের মধ্যে থাকা এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। ৫০তম মিনিটে সমতায় ফেরার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল ক্লাব ব্ল–জ। কিন্তু দলটির সংঘবদ্ধ আক্রমণ রুখে দেন নাভাস। এদিকে ম্যাচের ৭৪তম মিনিটে থিয়াগো সিলভা বাজে ফাউল করলে পেনাল্টি পেয়ে যায় ক্লাব ব্ল–জ। তবে এবারও পেনাল্টি রুখে দিয়ে পিএসজির ত্রাতা বনে যান গোলরক্ষক নাভাস। যে কারণে জিতে চ্যাম্পিয়নস লিগের চলতি আসরের শেষ ষোলো নিশ্চিত করে ফরাসি লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..