কোম্পানি সংবাদ

শেয়ার কিনবেন পিপলস ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিমা খাতের কোম্পানি পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক জাফর আহমেদ পাটোয়ারী শেয়ার কেনার ঘোষণা দিয়েছেন। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে তথ্য জানা গেছে।
তথ্যমতে, জাফর আহমেদ পাটোয়ারী কোম্পানিটির ৫০ হাজার শেয়ার কিনবেন। আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজারদরে পাবলিক মার্কেট থেকে উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার কিনবেন।
২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ছয় শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে পিপলস ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। ওই সময় কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) করে এক টাকা ৫৬ পয়সা এবং ৩১ ডিসম্বরে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়ায় ২৫ টাকা ৮৭ পয়সা।
এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে শেয়ারদর পাঁচ দশমিক ২৪ শতাংশ বা এক টাকা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ১৮ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১৮ টাকা ৪০ পয়সা। দিনজুড়ে এক লাখ ২৮ হাজার ৭৭৮টি শেয়ার মোট ১২৩ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ২৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন ১৮ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১৯ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ১৫ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ২৮ টাকায় ওঠানামা করে।
এর আগে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছর ছিল ১২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছিল দুই টাকা ২০ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ২৫ টাকা ৩১ পয়সা, যা তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৪৬ পয়সা ও ২৪ টাকা ৩১ পয়সা। ২০১৭ সালে মোট মুনাফা করে ১০ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা তার আগের বছর একই সময় ছিল ১১ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা।
কোম্পানিটি ১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘বি’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। কোম্পানির ২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৪৬ কোটি ২০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির চার কোটি ৬২ লাখ শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ১৯ দশমিক ২৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ২৭ দশমিক ১৮ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে ৫৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ শেয়ার। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৮ দশমিক ৩৬ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১০ দশমিক ৮২।
এদিকে চলতি হিসাববছরের মধ্যবর্তীকালীন অনিরীক্ষিত আর্থিক চিত্র অনুসারে ছয় মাসে বা দুই প্রান্তিকে টার্নওভার বা বিক্রি আয় দাঁড়িয়েছে ২০ কোটি ৫০ লাখ ২০ হাজার টাকা। চলতি ব্যবসায় কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে তিন কোটি ৯১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। চলমান ব্যবসাবহির্ভূত আয়সহ কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে তিন কোটি ৯১ লাখ ৯০ হাজার টাকা। এছাড়া চলমান ব্যবসায় দুই প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ৮৫ পয়সা।

সর্বশেষ..