প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

শেয়ার বেচবেন আরএসআরএমের উদ্যোক্তা

নিজস্ব প্রতিবেদক: শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেডের (আরএসআরএম স্টিল) উদ্যোক্তা/পরিচালক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, কোম্পানিটির উদ্যোক্তা/পরিচালক মাকসুদুর রহমানের  কাছে থাকা নিজ কোম্পানির এক কোটি ৭৮ লাখ ৩৮ হাজার শেয়ারের মধ্যে ২০ লাখ শেয়ার বিক্রয় করবেন। এ পরিচালক আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে বর্তমান বাজারদরে উল্লিখিত পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করতে পারবেন।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানি। গতকাল কোম্পানিটির ১৩ কোটি ৯ লাখ ৭৫ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ১৮ লাখ ২৩ হাজার ৪০টি শেয়ার মোট এক হাজার ৩৩৬ বার হাতবদল হয়। ওই দিন শেয়ারদর আগের দিনের তুলনায় এক দশমিক ৮৫ শতাংশ বা এক টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৭১ টাকা ৬০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৭১ টাকা ৮০ পয়সা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৭০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৭৩ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ৩৯ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৭৪ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে তিন টাকা ৪৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৪১ টাকা ছয় পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল যথাক্রমে তিন টাকা ৪৭ পয়সা ও ৪৫ টাকা ৬৩ পয়সা।

ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য গতকাল বেলা ১১টায় কোম্পানির স্বরণিকা কমিউনিটি সেন্টার, ১৩ লাভ লেন, চট্টগ্র্রামে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়। এর জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ ছিল ২৪ নভেম্বর।

২০১৫ সালে কোম্পানিটি পাঁচ শতাংশ নগদ ও ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল, যা আগের বছরের সমান। ওই বছর কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ২৭ কোটি ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১৫ কোটি ৪৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা।

১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৭৮ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ১৪৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। জুন ক্লোজিং কোম্পানিটি প্রথম  প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ২২ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা ১৪ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে আট পয়সা। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ২৭ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৪৬ টাকা ৯৯ পয়সা।  মুনাফা করেছে ৯ কোটি ৫৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ইপিএস হয়েছিল ৯২ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল ৮৭ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে পাঁচ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ২২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৪৫ টাকা ৬৩ পয়সা। কোম্পানিটির মোট সাত কোটি ৮৬ লাখ ২৪ হাজার শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে বাকি ২৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।