কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

সপ্তাহজুড়ে নর্দার্ণ জুটের দর কমেছে ১০.৪১ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সাপ্তাহিক দরপতনের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল পাট খাতের এ ক্যাটেগরির নর্দার্ণ জুট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির দর ১০ দশমিক ৪১ শতাংশ কমেছে।  ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সপ্তাহজুড়ে নর্দার্ণ জুটের শেয়ার লেনদেন হয় ২৬ কোটি ছয় লাখ ছয় হাজার টাকার। গড়ে প্রতিদিন লেনদেন হয় পাঁচ কোটি ২১ লাখ ২১ হাজার ২০০ টাকার। সপ্তাহের শেষদিনে নর্দার্ণ জুটের শেয়ার দর তিন দশমিক ২৪ শতাংশ বা ১৫ টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে সর্বশেষ লেনদেন হয় ৪৫৭ টাকায়। 

সর্বশেষ ২০১৯ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে দুই টাকা ৯৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে হয়েছিল ৯ টাকা শূন্য ছয় পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে ছয় টাকা ১২ পয়সা। এছাড়া (জুলাই-ডিসেম্বর, ১৯) ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ১০ টাকা ১০ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে হয়েছিল ১১ টাকা নয় পয়সা। অর্থাৎ ছয় মাসে ইপিএস কমেছে এক টাকা ৮০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৯ পর্যন্ত শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১০০ টাকা ৪৩ পয়সা, যা ৩০ জুন, ২০১৯ পর্যন্ত ছিল ৮০ টাকা ৩৩ পয়সা।

কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত বছরে ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই বছর কোম্পানির ইপিএস হয়েছিল ২৩ টাকা ২৯ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য ৮০ টাকা ৩৩ পয়সা ও ওই বছর মুনাফা হয়েছিল চার কোটি ৯৯ লাখ টাকা।

নর্দার্ণ জুট কোম্পানিটি ১৯৯৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ১০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন দুই কোটি ১৪ লাখ টাকা। ব্যাংকের রিজার্ভে আছে ১৫ কোটি সাড়ে ছয় লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ২১ লাখ ৪২ হাজার। মোট শেয়ারের ২১ দশমিক ৮৭ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক এবং বাকি ৭৮ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ জনগণের হাতে।

দরপতনের তালিকার শীর্ষে ছিল জেড ক্যাটেগরির শ্যামপুর সুগার মিল। গত সপ্তাহজুড়ে শেয়ারটির দর ১২ দশমিক ২৮ শতাংশ কমেছে। গত সপ্তাহে কোম্পানিটির পাঁচ লাখ ৬১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। গড়ে প্রতিদিন লেনদেন হয় এক লাখ ১২ হাজার ২০০ টাকার।

দরপতনের তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে আসে ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টস। সপ্তাহজুড়ে এ ক্যাটেগরির কোম্পানিটির শেয়ার দর ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ কমেছে। সপ্তাহজুড়ে দুই কোটি আট লাখ ৩৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। গড়ে প্রতিদিন লেনদেন হয় ৪১ লাখ ৬৭ হাজার টাকার।

সাত দশমিক ৫৪ শতাংশ কমে তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসে বি ক্যাটেগরির সমতা লেদার। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ১৪ কোটি ছয় লাখ ১২ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। গড়ে প্রতিদিন লেনদেন হয় দুই কোটি ৮১ লাখ ২২ হাজার টাকার শেয়ার। এরপরে পঞ্চম অবস্থানে উঠে আসে জেড ক্যাটেগরির এমারাল্ড অয়েল।  সপ্তাহজুড়ে সাত দশমিক ৩৩ শতাংশ দর কমেছে। সপ্তাহজুড়ে লেনদেন হয় ২৮ লাখ ১৯ হাজার টাকার।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..