কোম্পানি সংবাদ

সপ্তাহজুড়ে গ্রামীণফোনের লেনদেন ৬৮ কোটি টাকা

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্পট মার্কেটে একদিন লেনদেন করে সপ্তাহ শেষে লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে টেলিযোগাযোগ খাতের গ্রামীণফোন লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৬৮ কোটি পাঁচ লাখ ১৩ হাজার টাকায় ১৩ লাখ ৪২ হাজার ৭৮৬টি শেয়ার লেনদেন হয়; যা মোট লেনদেনের দুই দশমিক ৬৪ শতাংশ। কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন সপ্তাহের শেষদিনে স্পট মার্কেটে শুরু হয়েছে। চলবে ১৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। মাঝে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির কারণে লেনদেন বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার স্পট মার্কেটে কোম্পানিটির ১৫ কোটি ২৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন তিন লাখ দুই হাজার ২১০টি শেয়ার ৭৯২ বার হাতবদল হয়। তবে ওইদিন শেয়ারটির দর ৯০ পয়সা বা দশমিক ১৮ শতাংশ কমে সর্বশেষ লেনদেন হয় ৫০৫ টাকা ২০ পয়সায়। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন রেকর্ড ডেটের কারণে বন্ধ থাকবে। কোম্পানিটি ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৭ সমাপ্ত হিসাববছরে সর্বমোট ১০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। তবে ২০১৭ সালের জন্য এর আগে ১০৫ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল, যা ইতোমধ্যে শেয়ারহোল্ডাররা পেয়েছেন। কোম্পানির এজিএম আগামী ১৯ এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর খিলক্ষেতে বসুন্ধরা আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটিতে অনুষ্ঠিত হবে।

চার হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত ও এক হাজার ৩৫০ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের গ্রামীণফোন কোম্পানির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩৫ কোটি তিন লাখ ২২টি। কোম্পানির রিজার্ভে আছে এক হাজার ২২২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। কোম্পানির মোট শেয়ারের ৯০ শতাংশ উদ্যোক্তা পরিচালক, চার দশমিক ৪৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক, তিন দশমিক ৫২ শতাংশ বিদেশি ও এক দশমিক ৯৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে।

লেনদেনের শীর্ষে ছিল আর্থিক খাতের লংকাবাংলা ফাইন্যান্স। গত সপ্তাহে কোম্পানিটির ৯৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকায় দুই কোটি ৩৭ লাখ ৩২ হাজার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা মোট লেনদেনের তিন দশমিক ৭৪ শতাংশ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত সপ্তাহের মঙ্গলবার লংকাবাংলা কোম্পানিটির পর্ষদ সভায় ৩১ ডিসেম্বর, ১৭ আর্থিক বছর শেষের লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়। ওই বছরের জন্য সাত দশমিক ৫০ শতাংশ নগদ ও সাত দশমিক ৫০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটি। লভ্যাংশ ঘোষণার দিক থেকে শেয়ারটির দর কমেছে। সপ্তাহের শেষদিনে শেয়ারটির দর কমেছে এক দশমিক ৫২ শতাংশ বা ৬০ পয়সা। লেনদেনে শেষে সর্বশেষ দর দাঁড়ায় ৩৮ টাকা ৮০ পয়সা। এদিন কোম্পানিটির ২১ লাখ ৩২ হাজার ৭৮৯টি শেয়ার আট কোটি ৩০ লাখ টাকায় লেনদেন হয়।

তৃতীয় অবস্থানে থাকা স্কয়ার ফার্মার সপ্তাহজুড়ে প্রায় ৬৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। ১৩ লাখ ৪২ হাজার ৭৮৬টি শেয়ার লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের দুই দশমিক ৬০ শতাংশ। সপ্তাহের শেষদিনে স্কয়ার ফার্মার তিন লাখ ৪৮ হাজার ৯৯৮টি শেয়ার এক হাজার ৪৬৬ বার হাতবদল হয়, যার মোট মূল্য ১১ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এদিন শেয়ারটির দর কমেছে এক টাকা ৩০ পয়সা বা দশমিক ৪০ শতাংশ।

এছাড়া ব্র্যাক ব্যাংকের ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ১০১টি শেয়ার ৬৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকায় লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের দুই দশমিক ৫১ শতাংশ। সপ্তাহের শেষদিনে শেয়ারটির দর দুই টাকা ৩০ পয়সা বা দুই দশমিক ৩২ শতাংশ কমে সর্বশেষ দর হয় ৯৭ টাকা ২০ পয়সা।

সপ্তাহজুড়ে মুন্নু সিরামিকের ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ১৯০টি শেয়ার ৬২ কোটি ১৪ লাখ টাকায় লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের দুই দশমিক ৪১ শতাংশ। সপ্তাহের শেষদিনে শেয়ারটির দর বেড়েছে পাঁচ টাকা ৯০ পয়সা বা চার দশমিক ৪৯ শতাংশ। ইউনিক হোটেল ও রেস্টুরেন্টের ৯১ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬৬টি শেয়ার ৫৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকায় লেনদেন হয়। আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ৬৫ লাখ ৬৫ হাজার শেয়ার ৫২ কোটি ১৩ লাখ টাকায় লেনদেন হয়। প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের এক কোটি তিন লাখ শেয়ার ৪৯ কোটি টাকায় লেনদেন হয়। কেয়া কসমেটিকসের চার কোটি ৩৮ লাখ শেয়ার ৪৮ কোটি টাকায় এবং আলিফ ইন্ডাস্ট্রিজের ৩৮ লাখ ৫১ হাজার শেয়ার ৪৩ কোটি ৫১ লাখ টাকায় লেনদেন হয়।

 

 

 

 

 

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..