দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

সব খাতেই ছিল মুনাফা তোলার প্রবণতা

রুবাইয়াত রিক্তা: চলতি মাসের শুরু থেকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের বড় পতনের পর সর্বশেষ চার কার্যদিবস ধরে উত্থান হয়। চার কার্যদিবসে ডিএসইতে ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ৩৮৮ পয়েন্ট। সূচকের বড় উত্থানে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর ভালো অবস্থানে চলে আসে। ফলে গতকাল এসব শেয়ার বিক্রি করে মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে। তবে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের এতে লাভ করার সম্ভাবনা কম। কারণ এ চারদিকে মূলত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরাই শেয়ার কিনেছে। তাই মুনাফা করার সম্ভাবনা তাদেরই বেশি। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের স্বল্পমেয়াদি বিনিয়োগ প্রবণতার কারণেই বাজার স্থিতিশীল অবস্থানে যেতে পারছে না।  গতকাল প্রায় সব খাতের ছিল বিক্রির চাপ।

প্রায় ১৬ শতাংশ বা ৬০ কোটি টাকা লেনদেন হয় ওষুধ ও রসায়ন খাতে। এ খাতে ৬২ শতাংশ কোম্পানির দর পতন হয়। স্কয়ার ফার্মার ২৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ৭০ পয়সা। বীকন ফার্মার আট কোটি ৭০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৪০ পয়সা। প্রায় ১০ শতাংশ দর কমে সিলকো ফার্মা দরপতনের শীর্ষে অবস্থান করে। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে ৬৯ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। এসএস স্টিলের ১১ কোটি ৪২ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর অপরিবর্তিত ছিল। সিঙ্গার বিডির সাত কোটি ৮৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় তিন টাকা ১০ পয়সা। টেলিযোগাযোগ খাতের  গ্রামীণফোনের ১৬ কোটি টাকা লেনদেন হলেও দরপতন হয় পাঁচ টাকা ১০ পয়সা। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৭৫ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। প্যারামাউন্ট টেক্সটাইলের সাত কোটি ৯৪ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৬০ পয়সা। তিন দশমিক ৮৪ শতাংশ বেড়ে ভিএফএস থ্রেড দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশে উঠে আসে। দরপতনের শীর্ষ দশের তালিকায় ছিল এ খাতের রিং শাইন টেক্সটাইল, ইভিন্স টেক্সটাইল ও স্টাইল ক্রাফট। ব্যাংক খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে ৪৩ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। প্রায় ছয় শতাংশ বেড়ে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক দর বৃদ্ধিতে ষষ্ঠ অবস্থানে উঠে আসে। বিমা খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে ৫৫ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স, গ্রিনডেল্টা ইন্স্যুরেন্স ও রূপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের মধ্যে উঠে আসে। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ৭৪ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। খুলনা পাওয়ারের প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৮০ পয়সা। সিমেন্ট খাতের লাফার্জ হোলসিমের ২৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৪০ পয়সা। এছাড়া প্রায় চার শতাংশ দর বেড়ে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট দর বৃদ্ধিতে নবম অবস্থানে ছিল। প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে আর্থিক খাতের আইসিবি দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। টেলিযোগাযোগ, পাট, সেবা ও আবাসন খাত শতভাগ নেতিবাচক ছিল।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..