সুশিক্ষা

সময় ও তারুণ্যের চাহিদা পূরণে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি

নোয়াখালী সরকারি কলেজ থেকে চার বছরের স্নাতক সম্পন্ন করে রাজধানীতে থেকে এমবিএ করার পরিকল্পনা ছিল মাহফুজা খাতুনের। ঢাকার পরিবেশ পরিস্থিতি সবকিছুর সঙ্গে বাজেটের ব্যাপারটা মাথায় রেখে বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করতে হয় তাকে। র‌্যাংকিংয়ে শীর্ষ ১২-তে অবস্থান সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির (এসইইউ)। আরও নামকরা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের খোঁজখবর নিয়ে এখানে দুই বছরের এমবিএ প্রোগ্রামে ভর্তি হন তিনি। লেখাপড়ার মান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ মুগ্ধ করেছে তাকে।
মাহফুজার মতো একই অবস্থা আহাদ আহমেদের। থাকেন নারায়ণগঞ্জে। একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তবে এমবিএ করার জন্য নির্বাচন করেছেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটিকে। এক্ষেত্রে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির মান ও কারিকুলামকে। শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে এসইইউ একটি। শিক্ষকদের আন্তরিকতা, প্রজ্ঞা ও পড়ানোর পদ্ধতি ভীষণ পছন্দ হয়েছে তার।
উন্নত শিক্ষাদানের লক্ষ্যে ২০০২ সালে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি যাত্রা করে। রাজধানীর কাকলী বাসস্ট্যান্ড থেকে কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউর চার নম্বর গলির ১৮ নম্বর সড়কে এর অবস্থান। নিজস্ব ক্যাম্পাস তেজগাঁওয়ে।
তিনটি ফ্যাকাল্টিতে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রাম রয়েছে ১২টি। ‘ডে’ ও ‘ইভিনিং’ দুটি শিফট রয়েছে। স্নাতক পর্যায়ের কোর্সগুলো ‘ডে’ শিফটে। স্নাতকোত্তর কোর্সগুলো ‘ডে’ ও ‘ইভিনিং’ দুই শিফটেই। প্রতি বিভাগে গড়ে স্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন ৪০ জন ও অস্থায়ী ৫৫ জন; স্থায়ী শিক্ষক ১২৬ জন ও অস্থায়ী ৩৬৬ জন।
এসইইউ থেকে ক্রেডিট ট্রান্সফার করা বেশ সহজ। ক্রেডিট ট্রান্সফারের ন্যূনতম সিজিপিএ ৩.৫০। দেশ ও বিদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করতে পারেন শিক্ষার্থীরা।
শুধু লেখাপড়াই নয়, শিক্ষার্থীদের জন্য নানা ধরনের খেলাধুলার আয়োজন করে থাকে কর্তৃপক্ষ। ক্রিকেট, ফুটবল, সাইবার গেমস, দাবা প্রভৃতি খেলা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এছাড়া ক্যান্টিন, গ্রন্থাগার, ক্লাবসহ শিক্ষাসহায়ক সব রকম সুযোগ-সুবিধা বরাদ্দ রয়েছে এখানে। গবেষণায়ও এ উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম রয়েছে। এখান থেকে শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে দেশের বাইরের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার ব্যবস্থা রয়েছে।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএনএম মেশকাত উদ্দিন বলেন, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি দেশের লাখো প্রতিশ্রুতিশীল যুবকের দোরগোড়ায় উচ্চশিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার মহৎ উচ্চাশা নিয়ে যাত্রা করেছিল। এ যাত্রায় সফল এ বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিদেশি শিক্ষার্থীরাও এখানে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছেন। সময় ও তারুণ্যের চাহিদা পূরণ করে এগিয়ে চলেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশ্বায়নের সঙ্গে মানিয়ে আর্থিক দিকটি বিবেচনা করে উচ্চশিক্ষাদানই আমাদের লক্ষ্য।
দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছাত্রছাত্রীদের আকৃষ্ট করে হরেক অফারের পসরা সাজায়। প্রচার করে নিজেদের। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি। উপাচার্য আরও বলেন, পড়ালেখার গুণগত মানই শিক্ষার্থীদের আমাদের কথা জানাবে। আমরা সময়ের চাহিদা পূরণ করে আধুনিকতায় বিশ্বাসী। সময়কে টেক্কা দিয়ে সামনে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়তে চাই না। শিক্ষার্থীরা যেন পেশাগত কাজে গিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারেন, আমরা এখানে সে শিক্ষাই দিয়ে থাকি।

সানজিদা রাইকা

সর্বশেষ..