সাক্ষাৎকার

‘সরকার বাজেট বাড়াচ্ছে কিন্তু চাপ পড়ছে ব্যবসায়ীদের ওপর’

আবু নোমান হাওলাদার বিবিএস কেব্লসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। প্রতিষ্ঠানটির জš§লগ্ন থেকে তিনি এ শীর্ষ পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সম্প্রতি শেয়ার বিজের সঙ্গে কথা বলেছেন দেশ-বিদেশে বৈদ্যুতিক তার ব্যবসার বাজার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তানিয়া আফরোজ

শেয়ার বিজ: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আপনি পড়ালেখা করেছেন। একজন প্রকৌশলী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিজের নেতৃত্বের কৌশল কীভাবে তুলে ধরতে পছন্দ করবেন?

আবু নোমান হাওলাদার: নেতৃত্বদানের জন্য অকপটতা একটা বড় গুণ। সব সমস্যা আমি সোজা পথে দেখতে পছন্দ করি। সব অবস্থানের মানুষকে মানবিক বিচারে দেখি এবং এ দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে অনেক দূর নিয়ে এসেছে। তাছাড়া কর্মজীবনের যাবতীয় দায়ভার নিজের কাঁধে নিতে পছন্দ করি। দ্বিতীয়ত, আমি সাধারণত সিদ্ধান্ত গ্রহণে দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগি না। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা নেওয়ার আগে যথেষ্ট হোমওয়ার্ক করি। প্ল্যান-এ, প্ল্যান-বি, প্ল্যান-সি সাজাই। তারপর বাস্তবায়নে যাই।

শেয়ার বিজ: ২০০৯ সালে বিবিএস কেবল্সের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এর ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। ৯ বছরে সাফল্য ও ব্যর্থতা কতটুকু?

আবু নোমান হাওলাদার: সাফল্য এখনও আমার নিজের সন্তুষ্টির জায়গায় পৌঁছাতে পারেনি। তবে সাফল্য পরিমাপ করা যেতে পারে। ২০১১ সালে প্রথম বাজারে এসে আমাদের ৫৮ কোটি টাকার পণ্য বিক্রয় হয়েছিল। বর্তমানে তা ৬০০ কোটির ওপর পৌঁছেছে। অর্থাৎ গত সাত বছরে বিক্রি সাত থেকে আট গুণ বেড়েছে। আরও একটা সাফল্য হচ্ছে, বিবিএসের পণ্য বাংলাদেশের ভোক্তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করেছে। সেলস টার্নওভারে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও, গুণগত মানের প্রশ্নে বিবিএস এদেশের শীর্ষ কেব্ল ব্র্যান্ড। অন্যদিকে পেছন ফিরে তাকালে ব্যর্থতাও কিছু দেখতে পাই। আমরা যখন বিবিএস কেব্লস ইন্ডাস্ট্রিজ শুরু করি এ ব্যবসায় আমাদের শেয়ারধারীদের কারও কোনো অভিজ্ঞতা ছিল না। এখন অনুধাবন করতে পারি যন্ত্রপাতি নির্বাচনে আরও ভালো করার সুযোগ ছিল।

শেয়ার বিজ: বিবিএস কেব্লসের বাজার অংশীদারিত্ব (মার্কেট শেয়ার) কতটুকু? আপনারা রফতানি করেন কি?

আবু নোমান হাওলাদার: দেশের বাজারে বিবিএসের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বাজার মালিকানা রয়েছে। রফতানি এখনও শুরু হয়নি। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ থেকে এখনও সেভাবে কেব্লস রফতানি শুরু হয়নি। দেশের বাজারের চাহিদার সঙ্গেই তাল মেলানোর চেষ্টা করছি।

শেয়ার বিজ: তার তৈরির কাঁচামাল কতটুকু আমদানিনির্ভর?

আবু নোমান হাওলাদার: বর্তমানে ৯৭ শতাংশ কাঁচামাল আমদানি করতে হয়। বাংলাদেশে দুটো জিনিস নেই। যেসব মিনারেল ও মেটাল আমরা আমদানি করি, সেগুলোর খনি এখানে নেই। তাছাড়া কাঁচামালের প্রাথমিক কারখানা নেই। আমাদের কাঁচামাল উৎপাদন শুরু হয় দ্বিতীয় পর্যায় থেকে।

শেয়ার বিজ: এদেশে তারের মান কতটুকু নির্ভরযোগ্য বলে মনে করেন?

আবু নোমান হাওলাদার: বর্তমানে একশ’র বেশি তার তৈরির প্রতিষ্ঠান আছে দেশে। প্রথম দিকের তিন-চারটা প্রতিষ্ঠানের গুণগত মান নির্ভরযোগ্য। এছাড়া আরও ছয়-সাতটা প্রতিষ্ঠানের গুণগত মান মোটামুটি পর্যায়ের। বাকি প্রায় ৯০টি প্রতিষ্ঠানই মান বজায় রাখে না। এদের বেশিরভাগই সেরা ব্র্যান্ডগুলোর নাম ব্যবহার করে নকল তার বিক্রি করে। ফলে ক্রেতারা প্রতারিত হন। আমাদের দেশে তারের মান নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা নেই।

শেয়ার বিজ: ব্যবসা পরিচালনায় কি ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হয়?

আবু নোমান হাওলাদার: প্রথমত, যোগাযোগ ব্যবস্থা একটা বড় অসন্তোষের জায়গা বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের। ধরুন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম যেতে তিন থেকে চার ঘণ্টা লাগার কথা, কিন্তু লেগে যায় একদিন। কনটেইনার সারা পৃথিবী ঘুরে আসে ২০ টন ওজন নিয়ে, কিন্তু চিটাগং থেকে ১৩ বা ১৫ টনের বেশি আনার নিয়ম নেই। রাস্তা ২০ টন লোড নিতে পারে না। চট্টগ্রাম এসে প্যাকিং খুলে এক ট্রাকের পণ্য দুই ট্রাকে দিতে হয়। সেখানে মালামাল নষ্ট হয়, চুরিও হয়। অন্যদিকে দেখা যায় অনেকে নিয়ম ভেঙে ২৫ টনও নিয়ে আসছে। অর্থাৎ রাস্তা তৈরি নেই বলে আমি বঞ্চিত হচ্ছি। আবার অনিয়মের মাধ্যমে কেউ কেউ সুবিধাও নিচ্ছে।
এরপর বন্দর একটা সমস্যা। ধরুন, চীন থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে একটা জাহাজ ১২ দিনে আসতে পারে। কিন্তু এখানকার বন্দরে ভিড়তে গিয়ে ১০ দিন অপেক্ষা করতে হয়। এ ১০ দিনে অনেক সমস্যা তৈরি হয়, খরচ বাড়ে।
কাস্টমসে কিছু সমস্যা আছে। কাস্টমস বলে আমদানিকৃত কাঁচামালের ঘোষিত মূল্যের চেয়ে প্রকৃত মূল্য কম। অথচ স্টিল, কপার, অ্যালুমিনিয়াম ইত্যাদি কাঁচামালের দাম সারা বিশ্বজুড়ে একই। একে বলে এলএমই বাজার। ইন্টারনেটে মূল্য দেখার সুযোগ আছে। কিন্তু কাস্টমস অনেক সময় দরদাম আমাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে।
আরেকটি চ্যালেঞ্জ আয়কর। ১৮ কোটি লোকের দেশে মাত্র ১২ লাখ লোক আয়কর দেয়। এর মধ্যে শিল্পপতির সংখ্যাই বেশি। এখন সরকার বাজেট বাড়াচ্ছে কিন্তু বোঝা দিচ্ছে ব্যবসায়ীদের ওপর। গত বছর বিবিএস কেব্লস সরকারের কর ও ভ্যাট বাবদ পরিশোধ করেছে ৮০ কোটি টাকা। এ বছর আরও ১৫ শতাংশ কর বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। এগুলো বড় সংকট। এসব ছাড়াও গুণগত বিদ্যুৎ পাচ্ছি না, সে চ্যালেঞ্জটি তো আছেই।

শেয়ার বিজ: অর্থনৈতিক অঞ্চলের বাজার ধরার জন্য কোনো পরিকল্পনা আছে কি?

আবু নোমান হাওলাদার: আমাদের ব্যবসার একটা সম্প্রসারণ চলছে। বিবিএস কেব্লসের দ্বিতীয় ইউনিট করা হচ্ছে। চলতি বছর ১৫ ডিসেম্বর থেকে উৎপাদনে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। বর্তমানে ১১ কেভি, ৩৩ কেভি কেব্লসের সঙ্গে আমাদের বাজার পরিচিত। দ্বিতীয় ইউনিটটি ২২০ কেভি সক্ষমতার তার তৈরিতে সমর্থ থাকবে। তখন বাংলাদেশ সরকারের ৯৮ শতাংশ চাহিদা পূরণ করা যাবে। পূর্বাচলের মতো নতুন শহরগুলোর চাহিদা মিটবে। অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর চাহিদাও পূরণ হবে। সরকার এখন আন্ডারগ্রাউন্ড কেব্লস নিচ্ছে। এজন্য হাইভোলটেজ এবং এক্সট্রা হাইভোলটেজ কেব্লস প্রয়োজন। কাজেই বিবিএস কেব্লস ইউনিট-দুইয়ের মাধ্যমে বাজারের অন্য প্রতিযোগী থেকে এগিয়ে থাকবে। এটাই হবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পরিমাণ তার তৈরির প্লান্ট।

শেয়ার বিজ: ব্যাংক খাতে অস্থিরতার কারণে আপনাদের ব্যবসা কি কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে?

আবু নোমান হাওলাদার: মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সুদহারের ওঠানামা ব্যবসায়িক স্থিতিশীলতা নষ্ট করে। মাঝখানে সুদহার দুই অঙ্কে উঠেছিল। যেসব ব্যাংক আমাদের এক অঙ্কে ঋণ দিত তারা প্রায় সবাই দুই অঙ্কের সুদ নিচ্ছে। দুই অঙ্কের সুদহার তিন থেকে চার মাস স্থায়ী ছিল, কিন্তু তা ক্ষতি করে গেছে সাত-আট মাসের সমান। তাছাড়া ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটে ভুগছে। আমাদের কাছে তারা এফডিআরের জন্য আসে। আমরা তো এফডিআর করি না, বরং ব্যাংকের টাকা দিয়ে ব্যবসা করি। প্রকৃতপক্ষে ব্যাংকে যখন সংকট শুরু হয়, তখন সব খাতই ধীরগতিসম্পন্ন হয়ে পড়ে। পাওনাদাররাও টাকা দিতে দেরি করে।

শেয়ার বিজ: বর্তমানে সুদহার এক অঙ্কে নামানোর নির্দেশ কি ব্যাংকগুলো মানছে?

আবু নোমান হাওলাদার: এখন পর্যন্ত একটিমাত্র ব্যাংক এক অঙ্কে ঋণ দিচ্ছে; এসআইবিল। অন্যরা এখনও নামাতে সক্ষম হয়নি।

শেয়ার বিজ: অর্থাৎ খাতা-কলমে নির্দেশ এলেও বাস্তবে ব্যবসায়ীরা তার ফল পাচ্ছেন না?

আবু নোমান হাওলাদার: এখনও আমরা সুবিধা পাওয়া শুরু করিনি। বর্তমানে আমরা বিনিয়োগ কমিয়ে রেখেছি। আমাদের পরিকল্পনা ছিল ফ্যান, এলইডি লাইট, বাল্ব, সুইস সকেট, সুপার এনামেল উৎপাদনে বিনিয়োগ করার। কিন্তু বিবিএস কেব্লস দ্বিতীয় ইউনিটের পর আমরা নতুন কোনো বিনিয়োগে হাত দিইনি। ব্যাংকগুলো তারল্য সংকটের কারণে ঋণ দিতে পারছে না।
তবে এখানে ব্যাংকের সীমাবদ্ধতাটাও বিবেচ্য। সরকার তো সঞ্চয়পত্রের সুদহার কমায়নি। তাহলে জনগণ কেন সঞ্চয়পত্র না কিনে ব্যাংকে আমানত রাখবে? এ সমস্যার সমাধান সরকারকেই করতে হবে।

শেয়ার বিজ: বাংলাদেশ থেকে তার রফতানির সম্ভাবনা কেমন?

আবু নোমান হাওলাদার: এদেশে বিপুলসংখ্যক তরুণ ও অভিজ্ঞ শ্রমশক্তি তৈরি হচ্ছে। শ্রমশক্তির প্রাচুর্যের কারণেই তারসহ অন্যান্য ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের রফতানি সম্ভাবনা প্রসারিত হবে।
আমাদের তার রফতানি বাজার হিসেবে বিশ্বের অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশ অপেক্ষা করছে। যেমন আফ্রিকা বা মধ্যপ্রাচ্যের বাজার। যেখানে দ্রুত উন্নয়ন হচ্ছে। ইউরোপ আমেরিকার বাজার হাইটেকে চলে গেছে। প্রযুক্তির উৎকর্ষের কারণে বেশিসংখ্যক লোকবলের দরকার নেই। ফলে বেশিসংখ্যক শ্রমশক্তি কাজে লাগানোর জন্য আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ খুবই আদর্শ একটি দেশ হবে। দেশীয় শিল্পের সঙ্গে অনেক বিদেশি বিনিয়োগও যুক্ত হবে। এদেশ ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্যের ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাব’ হিসেবে গড়ে উঠবে। এটা আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

শেয়ার বিজ: সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশ দূষণের ঝুঁকিও বাড়বে!

আবু নোমান হাওলাদার: আমি একজন প্রকৌশলী। নিজেকে দেশপ্রেমিক হিসেবেও দাবি করি। কিন্তু আমি এটা বলতে চায়, যারা বা যেসব দেশ পরিবেশ দূষণের কথা বলে তারাই পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে। আগে তাদের জবাবদিহি করতে হবে। আমেরিকা, ইউরোপ বা উন্নত দেশগুলো নিজেদের দেশের ক্ষতি করেছে, বিশ্বের ক্ষতি করেছে। এখন তারা আমাদের বলছে, তোমরা দূষণ করো না। আমি আগে আমেরিকার মতো অর্থনীতি হই, তখন দূষণ করব না।
আমি মনে করি, পরিবেশ সংরক্ষণে অন্যান্য অনেক দেশের চেয়ে আমাদের দেশের আইন কঠোর। অল্প সংখ্যক লোক ছাড়া বেশিরভাগ শিল্পপতিই দূষণের ব্যাপারে যথেষ্ট সজাগ এবং তারা সত্যিকার অর্থে দূষণ করছে না। তাছাড়া পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশের কিছু প্রাকৃতিক সুবিধা আছে। এদেশে নদীর পানি প্রবহমান। হিমালয়ের বরফগলা পানি, পদ্মা, যমুনার ওপর দিয়ে মেঘনা হয়ে সমুদ্রে পাঠিয়ে দেয়। কাজেই আমাদের এখানকার পরিবেশ চীন বা অন্যান্য দেশের তুলনায় শতগুণে সুরক্ষিত।

শেয়ার বিজ: গাজীপুরে অবস্থিত বিবিএস কেব্লসের কারখানা পরিবেশ দূষণ রোধে কতটা প্রতিশ্রুতিশীল?

আবু নোমান হাওলাদার: বিবিএস কেব্লস কোনো দূষণ করছে না। আমরা পরিবেশে কোনো বর্জ্য পানি ফেলছি না। অর্থাৎ পানি দূষণ করছি না। হাইটেক শিল্পের যন্ত্রপাতি কোনো শব্দ দূষণ তৈরি করে না। তার তৈরিতে কোনো ধুলো উড়ে না। অর্থাৎ আমরা বায়ু দূষণ করছি না। বিবিএস কেব্লস উৎপাদন ও বিপণনে আমরা বৈশ্বিক মানদণ্ড বজায় রেখেছি।

শেয়ার বিজ: শেয়ার বিজের মাধ্যমে মুক্তভাবে কিছু বলতে চান কি?

আবু নোমান হাওলাদার: প্রত্যেকটা জাতির একটা স্বর্ণযুগ থাকে। মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় স্বর্ণ যুগ হচ্ছে এটা। আগামী ২০ বা ৩০ বছরে বাংলাদেশের মানুষ ও অর্থনীতি বিভিন্ন জায়গায় অবদান রাখবে। এ সম্ভাবনাকে আমাদের কাজে লাগাতে হবে। সুতরাং আপনারা ভালো কাজ করুন। দেশ ও সমাজের প্রতি অঙ্গীকার রাখুন।
আমরা, বিবিএস কেব্লসও এ অঙ্গীকার থেকেই প্রতিকূল পরিবেশে গুণগত পণ্য দিয়ে যাচ্ছি। আশা রাখি আগামী দিনে রফতানিও করব। বিশ্বপরিসরে এ প্রতিষ্ঠানের পরিধি সম্প্রসারিত হবে।

শেয়ার বিজ: সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

আবু নোমান হাওলাদার: আপনাকেও ধন্যবাদ।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..