প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সাত কার্যদিবসে দর বেড়েছে ৩.৯০ টাকা: কারণ জানা নেই সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: তালিকাভুক্ত কোম্পানি সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর বাড়ার কোনো সঙ্গত কারণ নেই। এ কোম্পানির অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চাইলে এমনটিই জানায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই)।

সূত্রমতে, অস্বাভাবিক দর বাড়ার কারণ জানতে চেয়ে ডিএসই নোটিস পাঠায়। কোনো অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য ছাড়াই শেয়ারদর বাড়ছে বলে কোম্পানির কর্তৃপক্ষ জানায়।

কোম্পানিটির শেয়ারদর গত মাসের ২০ তারিখ থেকে শেয়ারদর ক্রমেই বেড়েছে, যা চলতি মাসের ১ তারিখ পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। এ সময়ের মধ্যে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ১৪ টাকা ৪০ পয়সায়। এ সময়ের মধ্যে কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে তিন টাকা ৯০ পয়সা। আর এ দর বাড়াকে অস্বাভাবিক মনে করছে ডিএসসি।

উল্লেখ্য, কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। গতকাল কোম্পানির শেয়ারদর আগের দিনের চেয়ে ছয় দশমিক ২৫ শতাংশ বা ৯০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ১৩ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১৩ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে দুই লাখ ৭২ হাজার ৩৯৫টি শেয়ার ২১৩ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৩৭ লাখ ৬৭ হাজার টাকা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১৩ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১৪ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর সাত টাকা ৯০ পয়সা থেকে ২২ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।

১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৫২ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১০ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা ‘নো ডিভিডেন্ড’ ঘোষণা করেছিল। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয়  লোকসান হয়েছে চার পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা আট পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে তিন পয়সা ও ১২ টাকা ১২ পয়সা। কোম্পানিটি সর্বশেষ ২০১৪ সালে ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ওই সময় ইপিএস ছিল এক টাকা ৬৪ পয়সা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছিল ২০ টাকা ২২ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৯ পয়সা ও ১৪ টাকা ১১ পয়সা। কর-পরবর্তী মুনাফা ছিল পাঁচ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল তিন কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার টাকা।

চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে এক পয়সা, যা এর আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৪১ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস বেড়েছে দুই পয়সা।

অন্যদিকে চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কোম্পানির এনএভি ১২ টাকা ৯ পয়সা দাঁড়িয়েছে, যা একই বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এনএভি ১২ টাকা আট পয়সা ছিল। এনএভি এক পয়সা বেড়েছে।

কোম্পানির মোট পাঁচ কোটি ২১ লাখ ৫২ হাজার ৫০০টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে ৯ দশমিক ৪১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৯০ দশমিক ৫৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।