কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড

নিজস্ব প্রতিবেদক: তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে দর কমার তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ৯ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে এক লাখ ৪৩ হাজার ৮০০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে সাত লাখ ১৯ হাজার টাকার শেয়ার।

‘জেড’ ক্যাটেগরির এ কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০৬ কোটি ৬৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ৬৬ লাখ ৫৩ হাজার ৩০টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে মোট শেয়ারের ৩০ দশমিক শূন্য চার শতাংশ উদ্যোক্তা বা পরিচালক, প্রতিষ্ঠানিক পাঁচ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬৪ দশমিক ৩৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

সর্বশেষ ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৬৬ পয়সা এবং ৩০ জুন তারিখে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬০ টাকা ৯০ পয়সা।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকে প্রতিটি সর্বশেষ দুই টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল দুই টাকা। দিনজুড়ে ৯৯ হাজার ৭৬৭টি শেয়ার মোট ৩৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর এক লাখ ৯৪ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ এক টাকা ৯০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ দুই টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর এক টাকা ৭০ পয়সা থেকে তিন টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

দর কমার তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ‘জেড’ ক্যাটেগরির ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) লিমিটেড। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে পাঁচ দশমিক ২৬ শতাংশ। কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে চার লাখ ৪৩ হাজার ৬০০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ২২ লাখ ১৮ হাজার টাকার শেয়ার।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকে প্রতিটি সর্বশেষ এক টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল এক টাকা ৮০ পয়সা। দিনজুড়ে চার লাখ ১১ হাজার ৮৩৪টি শেয়ার মোট ৮৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর সাত লাখ ৫৯ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ এক টাকা ৮০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ এক টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর এক টাকা ৬০ পয়সা থেকে চার টাকা ১০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

তৃতীয় স্থানে অবস্থানে ছিল জেড ক্যাটেগরির কোম্পানি এমারাল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে পাঁচ শতাংশ। কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে এক লাখ ৫৮ হাজার ২০০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে সাত লাখ ৯১ হাজার টাকার শেয়ার।

সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষ চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে ছিল যথাক্রমে ‘জেড’ ক্যাটেগরির লিবরা ইনফিউশনস লিমিটেড ও ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানি রেকিট বেনকিজার (বিডি) লিমিটেড। লিব্রা ইনফিউশনস লিমিটেডের শেয়ারদর কমেছে তিন দশমিক ৬২ শতাংশ। কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে দুই লাখ ৩১ হাজার ৮০০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ১১ লাখ ৫৯ হাজার টাকার শেয়ার।

আর আলোচিত সময়ে রেকিট বেনকিজারের শেয়ারদর কমেছে তিন দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ। কোম্পানিটির প্রতিদিন এক কোটি ৮৯ লাখ ২৩ হাজার ৬০০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ৯ কোটি ৪৬ লাখ ১৮ হাজার টাকার শেয়ার।

এরপরের অবস্থানে থাকা ‘জেড’ ক্যাটেগরির এ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেডের শেয়ারদর কমেছে দুই দশমিক ৯৪ শতাংশ। কোম্পানিটির প্রতিদিন চার লাখ ৫৬ হাজার ২০০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..