সাপ্তাহিক দরপতনের শীর্ষে বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে দরপতনের তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপার ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর কমেছে ১৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

ডিএসই থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, কোম্পানিটির প্রতিদিন গড়ে এক কোটি ৩০ লাখ ২৮ হাজার ৮০০ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ছয় কোটি ৫১ লাখ ৪৪ হাজার টাকার শেয়ার।

চলতি হিসাববছরের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা গেছে। প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ, ২০২১) কোম্পানির মোট আয় কমেছে প্রায় ১৮ কোটি টাকা। আর এ তিন প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস কমেছে চার টাকা ৭৮ পয়সা।

উল্লেখযোগ্যভাবে আয় কমে যাওয়ার কারণ হিসেবে কোম্পানিটি জানিয়েছে, ২০২০ সালের মার্চে বাংলাদেশে কভিডের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে একদিকে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। অন্যদিকে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বিমা ও করপোরেট হাউসগুলো সীমিত আকারে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ফলে বাংলাদেশ মনোস্পুল পেপারের ব্যবসায় মারাত্মকভাবে প্রভাব পড়েছে, যা তাদের চলতি হিসাববছরের আর্থিক প্রতিবেদনে ফুটে উঠেছে।

দেখা গেছে, কোম্পানিটির প্রথম তিন প্রান্তিক বা ৯ মাসে মোট রেভিনিউ বা আয় হয়েছে ২৩ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, অথচ আগের বছরের একই সময়ে আয় হয়েছিল ৪১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ আগের বছরের তুলনায় মোট রেভিনিউ কমেছে ১৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা।

আবার চলতি হিসাববছরের ২০২১ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২১) ইপিএস হয়েছে ১০ পয়সা অথচ আগের বছর ছিল এক টাকা ৩৭ পয়সা। আর প্রথম তিন প্রান্তিকের (জুলাই, ২০২০-মার্চ, ২০২১) হিসেবে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৮ পয়সা, যা তার আগের বছরের একই সময়ে ছিল পাঁচ টাকা ছয় পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে চার টাকা ৭৮ পয়সা।

সম্প্রতি ওটিসি ফেরত কোম্পানিটি ১৯৮৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘জেড’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন হচ্ছে। যার ৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলত তিন কোটি ২৯ লাখ ২০ হাজার টাকা।

সর্বশেষ..