কোম্পানি সংবাদ

সাপ্তাহিক দর কমার শীর্ষে ইমাম বাটন

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইমাম বাটন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর ছয় দশমিক ৯২ শতাংশ কমে দর কমার শীর্ষে উঠে আসে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। গত সপ্তাহজুড়ে কোম্পানির মোট এক কোটি ২৯ লাখ ১১ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা প্রতিদিন লেনদেন হয় ২৫ লাখ ৮২ হাজার ২০০ টাকা।

সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর দুই দশমিক ৫৬ শতাংশ বা এক টাকা ১০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৪১ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৪১ টাকা ৭০ পয়সা। ওইদিন ৩৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ৮৩ হাজার ২৯৩টি শেয়ার মোট ২৭৯ বার হাতবদল হয়। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৪০ টাকা ৫০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৪৩ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ১২ টাকা ৯০ পয়সা থেকে ৪৭ টাকা ৩০ পয়সায় ওঠানামা করে।

কোম্পানিটি ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ৩০ জুন ২০১৭ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোনো লভ্যাংশ দেয়নি। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় লোকসান হয়েছে ৩৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ছয় টাকা ২২ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ও আট টাকা ৩০ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী লোকসান হয়েছে ২৮ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ৭৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

১০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন সাত কোটি ৭০ লাখ টাকা। রিজার্ভে ঘাটতির পরিমাণ দুই কোটি ৯১ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ৭৭ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩১ দশমিক ৫৩ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকরীর কাছে ৯ দশমিক শূন্য এক শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৫৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

লুজারের দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। ওই সময় দর কমছে ছয় দশমিক ৮৪ শতাংশ। গত সপ্তাহজুড়ে কোম্পানির মোট ৩২ লাখ ছয় হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়, যা প্রতিদিন লেনদেন হয় ছয় লাখ ৪১ হাজার ২০০ টাকা।

সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর ৯ দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ বা দুই টাকা ১০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ২১ টাকা ১০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২১ টাকা ৮০ পয়সা। ওইদিন ২৯ লাখ ৭৭ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে এক লাখ ৩৪ হাজার ৬২৩টি শেয়ার মোট ২০৭ বার হাতবদল হয়। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২১ টাকা ১০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৩ টাকায় হাতবদল হয়।

দর কমার তৃতীয় স্থানে রয়েছে প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির দর কমেছে ছয় দশমিক ১৯ শতাংশ। ওই সময় প্রতিদিন সাত লাখ ৪৪ হাজার ৮০০ টাকার শেয়ার হাতবদল হয়েছে, যা সপ্তাহজুড়ে মোট ৩৭ লাখ ২৪ হাজার টাকার শেয়ার হাতবদল হয়।

সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর চার দশমিক ৬৯ শতাংশ বা তিন টাকা ২০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৬৫ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৬৫ টাকা ২০ পয়সা। ওইদিন পাঁচ লাখ পাঁচ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে সাত হাজার ৬৮৪টি শেয়ার মোট ৭৩ বার হাতবদল হয়। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ৬৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৬৯ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ৪৬ টাকা থেকে ৮৬ টাকা।

এছাড়া লুজারে থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে নর্দান জুটের পাঁচ দশমিক ৫১ শতাংশ, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পাঁচ দশমিক ৪৬ শতাংশ, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ পাঁচ দশমিক ১৬ শতাংশ, গ্রীন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স চার দশমিক ৯৬ শতাংশ, লংকাবাংলা ফাইন্যান্সের চার দশমিক ৯০ শতাংশ, আইডিএলসি ফাইন্যান্সের চার দশমিক ৪৩ শতাংশ ও ইস্টার্ন লুব্রিক্যান্টসের চার দশমিক ৩৮ শতাংশ দর কমেছে।

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..