প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সাপ্তাহিক লেনদেনের ছয় শতাংশ জেনেক্স ইনফোসিসের

নিজস্ব প্রতিবেদক : সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেনের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে উঠে আসে জেনেক্স ইনফোসিস লিমিটেড। গত সপ্তাহে কোম্পানিটির মোট ১ কোটি ৩৭ লাখ ৫৮ হাজার ৫১৭টি শেয়ার ১২৯ কোটি ২৪ লাখ ১৯ হাজার টাকায় লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে শেয়ারটির দর ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ কমেছে।

কোম্পানিটি ২০১৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১৩ কোটি ৫৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানির রিজার্ভের পরিমাণ ৭৪ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ১১ কোটি ৩৫ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ৩১ দশমিক ৬৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর ২৮ দশমিক ৪২ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৩৯ দশমিক ৯০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

২০২২ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসবাবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পযালোচনা করে জেনেক্স ইনফোসিসের পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১১ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আলোচিত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে তিন টাকা ৩৬ পয়সা। ৩০ জুন তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৫৩ পয়সা এবং আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৫ টাকা ৮ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের অনুমোদনের জন্য আগামী ২৯ ডিসেম্বর বেলা ৩টায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে ২০২১ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসবাবছরের আর্থিক প্রতিবেদন পযালোচনা করে জেনেক্স ইনফোসিসের পর্ষদ শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচিত হিসাববছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস হয়েছে তিন টাকা ২২ পয়সা। ৩০ জুন তারিখে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নেট সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ২২ পয়সা এবং আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে চার টাকা ৮২ পয়সা।

এদিকে সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে ১০ বছর মেয়াদি একটি চুক্তি করেছে জেনেক্স ইনফোসিস। মূলত জেনেক্স ইনফোসিস এনবিআরের পক্ষে পাইকারি ও খুরচা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রনিক ফিসক্যাল ডিভাইস (ইএফডি) ও সেলস ডেটা কন্ট্রোলার (এসডিসি) স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মনিটরিং করবে। কোম্পানিটি আগামী পাঁচ বছরে তিনটি ভিন্ন জোনে ৩ লাখ ইএফসি অথবা এসডিসি মেশিন স্থাপন করবে। এ সেবা প্রদানের ফলে সরকারের মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও সম্পূরক শুল্ক (এসডি) আহরণ বাড়বে। আর এনবিআরকে উল্লেখিত সেবা প্রদান করতে পারলে কোম্পানিটির প্রতি বছর ২১২ কোটি টাকা আয় বাড়বে।