কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

সাপ্তাহিক লেনদেনের পাঁচ শতাংশ মুন্নু সিরামিকের

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে সিরামিক খাতের কোম্পানি মুন্নু সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ৩১ লাখ ৪০ হাজার ১৮৯টি শেয়ার ৪২ কোটি ৮৪ লাখ ৫২ হাজার টাকায় লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের চার দশমিক ৮৩ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে শেয়ারটির দর দুই দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর অপরিবর্তিত থেকে প্রতিটি সর্বশেষ ১২৬ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ১২৬ টাকা ৮০ পয়সা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনি¤œ ১২৬ টাকা ৮০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ১২৬ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। দিনজুড়ে সাত হাজার ৭৮৩টি শেয়ার মোট ৪৬ বার হাতবদল হয়। যার বাজারদর ৯ লাখ ৮৭ হাজার টাকা। আর গত এক বছরে শেয়ারদর ৯৯ টাকা থেকে ২৪২ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ২২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ৬৫ টাকা ৪৬ পয়সা।

এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ৩০ শতাংশ স্টক ডিভিডেন্ড দিয়েছে। ওই সময় ইপিএস হয়েছে দুই টাকা ১১ পয়সা এবং এনএভি হয়েছে ৯১ টাকা ৪৬ পয়সা।

কোম্পানিটি ১৯৮৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন হচ্ছে। ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৩৫ কোটি ৯২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৭৯ কোটি ৩১ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটির মোট তিন কোটি ৫৯ লাখ ২৭ হাজার ৯২২টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৫৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক চার দশমিক ৮২ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী শূন্য দশমিক ১১ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৩৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

আর লেনদেনের দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থানে ছিল লিন্ডে বাংলাদেশ লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির এক লাখ ৭৯ হাজার ৫১৩টি শেয়ার ২১ কোটি ৮৩ লাখ ৮০ হাজার টাকায় লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের দুই দশমিক ৪৬ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে শেয়ারটির দর চার দশমিক ১৯ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে কোম্পানিটির শেয়ারদর দুই দশমিক ৯৮ শতাংশ বা ৩৬ টাকা ৫০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ এক হাজার ২৬০ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল এক হাজার ২৫৫ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে ১৪ হাজার ৭২০টি শেয়ার মোট ৪৬১ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর এক কোটি ৮২ লাখ ৭৭ হাজার টাকা। এক বছরে শেয়ারদর সর্বনি¤œ এক হাজার ১৩৭ টাকা থেকে এক হাজার ৩৯০ টাকায় হাতবদল হয়। ২০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৫ কোটি ২১ লাখ ৮০ হজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪৩১ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৭৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়।

তালিকায় তৃতীয় স্থানে ছিল স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড। কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে এক দশমিক ২৩ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির ৯ লাখ ৭০ হাজার ৯১৫ শেয়ার ১৬ কোটি ৭৪ লাখ ৮৪ হাজার টাকায় লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের এক দশমিক ৮৯ শতাংশ।

‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ১৯৯৫ সালে। এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৮৪৪ কোটি ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ পাঁচ হাজার ৭৪৪ কোটি ৯৪ লাখ ৪৯ হাজার টাকা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..