Print Date & Time : 3 July 2022 Sunday 5:49 pm

সাপ্তাহিক লেনদেনের ৪.২৬% জেএমআই হসপিটালের

নিজস্ব প্রতিবেদক: সাপ্তাহিক বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে লেনদেনের শীর্ষে উঠে আসে জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে কোম্পানিটির ২ কোটি ৫৬ লাখ ১৩ হাজার ২৪৬টি শেয়ার ২৩০ কোটি ২০ লাখ ৪০ হাজার টাকায় লেনদেন হয়, যা মোট লেনদেনের ৪ দশমিক ২৬ শতাংশ। সপ্তাহজুড়ে শেয়ারটির দর ১৫ দশমিক ৫৯ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে শেয়ারদর ৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ বা ৫ টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৯১ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল একই। দিনভর কোম্পানিটির শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৮২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৯২ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ৫১ লাখ ১৫ হাজার ২৮৮টি শেয়ার মোট ১৪ হাজার ৯০৩ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৪৪ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

চলতি হিসাববছরের প্রথম দুই প্রান্তিক বা প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সদ্য পুঁজিবাজারে আসা জেএমআই হসপিটাল রিকুইজিট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড। আর প্রথমার্ধে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা বেড়েছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, চলতি ২০২১-২২ হিসাববছরের প্রথমার্ধে কোম্পানিটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ১১ কোটি ৬২ লাখ ১০ হাজার টাকা, আগের হিসাববছরের একই সময়ে যেখানে নিট-মুনাফা ছিল ১০ কোটি ৯২ লাখ ১০ হাজার টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ৭০ লাখ টাকা বা ৬ দশমিক ৪১ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ২৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ২১ পয়সা। তবে আইপিও-পরবর্তী কোম্পানিটির ইপিএস হবে ৯৩ পয়সা। আইপিও-পূর্ববর্তী হিসাব বিবেচনায় ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২১ কোম্পানিটির নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৭৮ পয়সায়, আইপিও-পরবর্তী হিসাবে যা হবে ২৯ টাকা ৫৪ পয়সা।

অন্যদিকে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) জেএমআই হসপিটালের কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে প্রায় ছয় কোটি টাকা, আগের হিসাববছরের একই সময়ে যা ছিল সাড়ে পাঁচ কোটি টাকা। সে হিসাবে আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ৫১ লাখ ৭০ হাজার টাকা বা ৯ দশমিক ৪৭ শতাংশ। আলোচ্য প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬১ পয়সা।

আর লেনদেনের এ তালিকার উঠে আসে যথাক্রমে বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানি লিমিটেড (বেক্সিমকো), এসিআই ফরমুলেশনস লিমিটেড, শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেড, আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড, ইউনিক হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস লিমিটেড, ওরিয়ন ফার্মা লিমিটেড, রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রডাক্টস লিমিটেড, ফরচুন শুজ লিমিটেড এবং ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড।