বাণিজ্য সংবাদ

সাম্প্রতিক সময়ে এশিয়ার সফলতম দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ

শেয়ার বিজ ডেস্ক: ‘সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ এশিয়ার মধ্যে সফলতম দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। এশিয়া ও প্যাসিফিকের মধ্যে বাংলাদেশে বাণিজ্য অর্থায়নের গুরুত্বপূর্ণ বাজার রয়েছে। বর্তমানে পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য ক্রেতা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহ উভয়কেই তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রমকে আরও দক্ষ করার প্রয়োজন রয়েছে’ বলে মনে করেন আইসিসি বাংলাদেশ সভাপতি মাহবুবুর রহমান। আইসিসি বাংলাদেশ আয়োজিত ‘ট্রেড ফাইন্যান্স অ্যান্ড বেস্ট প্র্যাকটিসেস ইন ডিমান্ড গ্যারেন্টিজ’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে গতকাল আইসিসি এ কথা বলেন তিনি। এ সময় ‘২০০৫ সালে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য থেকে আয় ছিল ২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা ২০১৮ সালে ৯৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে’ বলেও জানান তিনি।
আইসিসিবি সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘বর্ধিত ব্যবসায়িক জটিলতা, কারিগরি পরিবর্তন, বাজারের প্রত্যাশা ও অর্থ সংক্রান্ত অপরাধ বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশসহ অন্যান্য বাণিজ্যিক দেশসমূহের ব্যাংক-আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বাণিজ্য সেবাগুলো ক্রমশ চ্যালেঞ্জর সম্মুখীন হচ্ছে। এখন ব্যাংকের ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক গ্যারান্টির ক্ষতিকর বিষয়গুলো নির্ধারণের সময় এসেছে। এ ধরনের গ্যারান্টির জন্য গাইডলাইন বা নীতিমালা গঠন এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেইসঙ্গে ব্যাংক গ্যারান্টি ও স্ট্যান্ডবাই এলসির সঙ্গে সম্পৃক্ত আন্তর্জাতিক নীতিমালা গ্রহণ করাও জরুরি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাণিজ্যভিত্তিক মানি লন্ডারিং বিশ্বব্যাপী নীতি-নির্ধারক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকসমূহের জন্য বাড়তি চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও এন্টি মানি লন্ডারিং নীতিমালাসমূহ বিশ্বব্যাপী অনুমোদিত মানদণ্ড অনুযায়ী আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যভিত্তিক মানি লন্ডারিং গাইডলাইনের ওপর কাজ করছে। এটা এন্টি মানি লন্ডারিংয়ের ক্ষেত্রে আরও ভালো কাজ করবে।’
আইসিসি বাংলাদেশের ব্যাংকিং কমিশন চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল আরবিট্রেশন সেন্টারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এ. (রুমী) আলী তার বক্তৃতায় আগত দিনে বাণিজ্য অর্থায়নের ক্ষেত্রে সাইবার সিকিউরিটি, ইলিসিট ফ্লো, ফিনটেক ও কনটাজিয়াস রিস্ককে। তার বক্তৃতায় আগত দিনে বাণিজ্য অর্থায়নের ক্ষেত্রে চারটি বড় ধরনের ঝুঁকির কথা বলেন। সেগুলো হচ্ছে সাইবার সিকিউরিটি, ইলিসিট ফ্লো, ফিনটেক ও কনটাজিয়াস রিস্ক।
কর্মশালার রিসোর্স পারসন আন্দ্রে হওপটম্যান, ট্রেড ফাইন্যান্সের সিনিয়র গ্লোবাল কনসালট্যান্ট রাইফেইসেন ব্যাংক ইন্টারন্যাশনাল অস্ট্রিয়া ও আইসিসি বাংলাদেশের সেক্রেটারি জেনারেল আতাউর রহমানও অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
উল্লেখ্য, একই বিষয়ে গত ১৬ এপ্রিল চট্টগ্রামেও একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকায় ব্যাংক, বিআইবিএম ও ল’ফার্ম থেকে ১২৩ জন ও চট্টগ্রামে ব্যাংক থেকে ৭০ জন কর্মশালায় অংশ নেন।

সর্বশেষ..