খবর দিনের খবর

সারা দেশে ধর্ষণ-নির্যাতনবিরোধী সমাবেশ করল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীসহ সারা দেশে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী সমাবেশ করল পুলিশ। গতকাল সকালে বাংলাদেশ পুলিশের উদ্যোগে সারা দেশে ছয় হাজার ৯১২টি বিটে একযোগে নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্প্রতি সময়ে দেশে ব্যাপকভাবে ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বেড়েছে। সারা দেশে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ ও নানা সংগঠন। এরই অংশ হিসেবে এবার ধর্ষণবিরোধী সমাবেশের আয়োজন করে এ অপরাধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে পুলিশও। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে ধর্ষণবিরোধী সমাবেশ করে।

পুলিশ সদর দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নারী নির্যাতন ও ধর্ষণবিরোধী এ অনুষ্ঠান সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে বাংলাদেশ পুলিশের বিট পুলিশিং কেন্দ্রের ছয় হাজার ৯১২টি ফেসবুক পেজে। সারা দেশে লাখ লাখ নারী ও পুরুষ স্বশরী?রে উপস্থিত ছিলেন এবং কোটি কোটি দর্শক ও সাধারণ মানুষ এ সমাবেশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখেছেন। নিঃসন্দেহে ধর্ষণসহ নারী ও শিশু নির্যাতনবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টিতে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনবিরোধী সমাবেশে পুলিশসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, জনপ্রতিনিধি, নারী ও শিশু অধিকার কর্মী, স্থানীয় নারী ও স্কুল-কলেজের ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে তারা ধর্ষণসহ যে কোনো ধরনের নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে সমাজের সব স্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক গণজাগরণ সৃষ্টি করতে এবং নির্যাতিত নারী ও শিশুর পাশে থাকতে সবাইকে আহ্বান জানান।

নারী ও শিশু নির্যাতনসহ যে কোনো ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ পুলিশ সোচ্চার রয়েছে। সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ও সমর্থনে এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ পুলিশ বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) স্বোপার্জিত স্বাধীনতা চত্বরে ‘নারী ধর্ষণ ও নির্যাতনবিরোধী বিট পুলিশিং সমাবেশ’ ব্যানারে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

টিএসসির সমাবেশে রমনা বিভাগের উপকমিশনার সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ধর্ষণ ফ্রন্টলাইনে চলে এসেছে। এ বিষয়ে সারা দেশের প্রান্তিক স্তরের মানুষ যাতে সচেতন হতে পারে সেজন্য এ ধরনের সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। যাতে করে কোনো পরিবারের কোনো বাবা-মায়ের ছেলে ধর্ষণের আসামি না হয়। আর কোনো পুরুষ যদি ধর্ষকের উপাধি পেয়ে যায়, তাহলে তার মৃত্যুদণ্ড হবে, এটা যাতে তারা বুঝতে পারে। সে সঙ্গে আসামিরাও ধরা পড়ছে। ধর্ষণের সর্বোচ্চ শাস্তি কমবে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..