প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সালভো কেমিক্যালের কর্নস্টার্চ ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের কর্নস্টার্চ ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন গত সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। ইউনিটটির যন্ত্রপাতির সমস্যা পুরোপুরি সমাধানের পর এ উৎপাদন শুরু করা হয়েছে। এখান থেকে প্রতি বছর কোম্পানিটির আয় আনুমানিক ৩২ কোটি টাকা বৃদ্ধি পাবে। এদিকে কোম্পানিটির চলতি ২০২১-২২ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সালভো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়েছে ৫ গুণের বেশি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৪৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত), আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৪২ পয়সা। সে হিসাবে আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ২ টাকা ৭ পয়সা বা ৫ দশমিক ৩০ গুণ। অন্যদিকে তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা, আগের বছর একই সময়ে যা ছিল ১২ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৯৯ পয়সা।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে ২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে সালভো কেমিক্যাল। সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৩৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩০ পয়সা। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১২ টাকা ৬৯ পয়সায়। আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ১২ টাকা ৪৬ পয়সা।

‘বি’ ক্যাটেগরির এ কোম্পানিটি ২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। ১৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৬৫ কোটি দুই লাখ ৩০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৭ কোটি ৫২ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ছয় কোটি ৫০ লাখ ২২ হাজার ৭৯৩টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা/পরিচালকদের কাছে রয়েছে ২৫ দশমিক ১৮ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬৮ দশমিক ৩২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

এদিকে সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর চার দশমিক ৩০ শতাংশ বা ২ টাকা ৭০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৬৫ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ৬৫ টাকা ৫০ পয়সা। দিনজুড়ে ৩৯ লাখ ৪১ হাজার ৭৭০টি শেয়ার মোট ৩ হাজার ৫১৮ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ২৫ কোটি ৪৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৬২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৬৬ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর ১২ টাকা ৮০ পয়সা থেকে ৬৬ টাকা ৩০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।