কোম্পানি সংবাদ

সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ ও ম্যারিকোর লভ্যাংশ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। আর ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে অন্তর্বর্তীকালীন (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর, ছয় মাসের) লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সিনোবাংলা ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড: কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৭৩ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৩৮ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৯ টাকা দুই পয়সা লোকসান। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ৩০ জানুয়ারি বেলা ১১টায় মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার বড় বালুয়াকান্দিতে অবস্থিত কোম্পানির নিবন্ধিত কার্যালয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ নভেম্বর।

এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা তার আগের বছরের সমান। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে এক টাকা ৭১ পয়সা এবং এনএভি ২৬ টাকা ৯৩ পয়সা। এটি তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৫৯ পয়সা ও ২৬ টাকা ২৩ পয়সা। ২০১৮ সালে মোট মুনাফা করে তিন কোটি ৪১ লাখ ২০ হাজার টাকা, যা আগের বছর একই সময় ছিল তিন কোটি ১৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ম্যারিকো বাংলাদেশ: কোম্পানিটি প্রথম ছয় মাসের জন্য (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) অন্তর্বর্তীকালীন ২০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ নভেম্বর।

এদিকে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ২১ টাকা ২৪ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৫ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ শেয়ারপ্রতি আয় বেড়েছে পাঁচ টাকা ৯৪ পয়সা। আর প্রথম দুই প্রান্তিক বা ছয় মাস (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর, ২০১৯) শেষে শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ২০ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল ৩২ টাকা ৯২ পয়সা। এছাড়া ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরে শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য দাঁড়িয়েছে ৫৮ টাকা ৪৯ পয়সা, যা ২০১৮ সালের ৩১ মার্চে ছিল ৪০ টাকা ২৯ পয়সা। আর দুই প্রান্তিকে (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর, ২০১৯) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৭৩ টাকা ৭৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ৪৬ টাকা ৭০ পয়সা ছিল।

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন, ২০১৯) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করে। তথ্যমতে, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিক বা তিন মাসের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন ২৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে ২৬ টাকা ৯৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ টাকা ৬২ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৮৫ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ৩১ মার্চে ছিল ৪১ টাকা ৩৪ পয়সা।

এর আগে ৩১ মার্চ ২০১৯ সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি সর্বমোট ৬৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে।

সর্বশেষ..