প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক: পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানি সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলস লিমিটেড। কোম্পানিটির কারখানায় সিভিল কনস্ট্রাকশনের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। একইসঙ্গে কারখানা প্রাঙ্গণে মেশিনারিজ স্থাপনের কাজ শেষে পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর প্রতিষ্ঠানটিতে নির্মাণ, সংস্কারকাজ এবং কারখানায় মেশিনারিজ স্থাপন ও পুনঃস্থাপনের পর গত ১৩ আগস্ট থেকে এই পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু করেছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বন্ধ কারখানার সংস্কারের কাজ শুরু করা হয়।

চট্টগ্রামের কালুরঘাট ভারী শিল্প এলাকায় স্থাপিত কারখানার পরীক্ষামূলক উৎপাদনের উদ্বোধন করেন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। বস্ত্র খাতের কোম্পানি সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে শেয়ার ছেড়ে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৪৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। কিন্তু কয়েক বছর যেতে না যেতেই উৎপাদন বন্ধ করে দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার আড়াই বছরের মধ্যেই অর্থাৎ ২০১৭ সালের শুরুতে কোম্পানিটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় তৈরি পোশাক ক্রেতাদের সংগঠন অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের চাহিদা অনুযায়ী কারখানা সংস্কার করার কথা বলে ২০১৭ সালের ১ মে উৎপাদন বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয় সি অ্যান্ড এ কর্তৃপক্ষ। এতে ২০১৬ সাল থেকে লভ্যাংশবঞ্চিত হয় সাধারণ বিনিয়োগকারীরা।

এদিকে চলতি হিসাববছরের মার্চের শেষে সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলস লিমিটেডের কারখানায় আবার গ্যাস সংযোগের অনুমোদন দিয়েছে গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল)। দুই কোটি ৮৯ লাখ ৪১ হাজার ১৮৭ টাকার বকেয়া গ্যাস বিল পরিশোধ করায় সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইলের কারখানায় আবার গ্যাস সংযোগের অনুমোদন দিয়েছে কেজিডিসিএল। একইসঙ্গে কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, অতীতের সব বকেয়া পরিশোধের পর অন্য সব ইউটিলিটি সংযোগ, যেমন বিদ্যুৎ ও পানির আবার সংযোগ করা হয়েছে।