দিনের খবর মত-বিশ্লেষণ

সুশাসন ও সুসংগঠিত ব্যাংক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ঋণগ্রহীতার ভূমিকা

জিয়া উদ্দিন মাহমুদ: ব্যাংকার, আমানতকারী ও ঋণগ্রহীতা এ তিন পক্ষকে নিয়েই মূলত ব্যাংকিং। ব্যাংকার হলেন আমানতকারী আর ঋণগ্রহীতার মধ্যে মধ্যস্থতাকারী। আমানতকারীর অলস অর্থ সংগ্রহ করে তা নিয়মানুযায়ী ঋণগ্রহীতাদের মাঝে বিতরণ করা, মেয়াদান্তে তা ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে সুদ বা মুনাফাসহ আদায় করা এবং চাহিবামাত্র বা নির্দিষ্ট মেয়াদান্তে আমানতকারীদের অর্থ চুক্তি মোতাবেক ফেরত দেওয়াই হলো ব্যাংকারের কাজ। আর এই কাজগুলো নিয়মানুযায়ী সম্পন্ন করতে পারলেই ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হয় এবং ব্যাংক ব্যবস্থা হয় সুসংগঠিত। একটি দেশের মজবুত ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সুশাসন খুবই জরুরি। ব্যাংক ব্যবস্থাকে বলা হয় একটি দেশের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। দেশের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের অগ্রগতি, শিল্পকারখানার বিকাশ, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সব অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে রয়েছে ব্যাংকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান। তাই একটি সুগঠিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা একটি দেশের উন্নয়নের অন্যতম শর্ত।

শুরুতেই বলেছিলাম, ব্যাংক ব্যবস্থার মূল পক্ষ তিনটিÑব্যাংকার, আমানতকারী ও ঋণগ্রহীতা। এদের নিয়ে যে কর্মকাণ্ড তা নিয়মানুযায়ী সম্পন্ন করতে পারলেই ব্যাংকিংয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ সুশাসনের জন্য নিয়ম প্রয়োজন এবং নিয়মের যথাযথ প্রয়োগ ও বাস্তবায়নের জন্য পক্ষগুলোকে যার যার দায়িত্ব ও কর্তব্যগুলোকে পরিপূর্ণ ও সততার সঙ্গে পালন করতে হবে। প্রতিটি দেশের ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ভিন্ন আইন রয়েছে এবং ব্যাংকিং কার্যক্রম তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য প্রতিটি দেশের রয়েছে একটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাই সুশাসন তখনই প্রতিষ্ঠিত হবে যখন ব্যাংকিং পরিচালনার জন্য যুগোপযোগী আইন থাকবে এবং আইনের সঠিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে ব্যাংক সেক্টরের বিভিন্ন পক্ষগুলোর স্বার্থ রক্ষা হবে। সেইসঙ্গে ব্যাংকের বিভিন্ন পক্ষগুলোর আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার মনোভাব প্রয়োজন রয়েছে। বিশেষত ব্যাংকের সুশাসন প্রতিষ্ঠায় আমানতকারী ও ব্যাংকারের পাশাপাশি ঋণগ্রহীতাদের ভূমিকা তুলনামূলকভাবে একটু বেশি। ঋণগ্রহীতা নিজ দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করলে একজন ব্যাংকারও যথযাথ দায়িত্ব পালনে তৎপর হবেন এবং আমানতকারীর আমানতও থাকবে সুরক্ষিত। বিষয়টি সর্বসাধারণের অনুধাবনের জন্য একটু বিশ্লেষণের দাবি রাখে।

একটি ব্যাংকের প্রধান আয় অর্জিত হয় ঋণগ্রহীতাদের মাধ্যমেই আর হিসাববিজ্ঞানের ভাষায় ঋণগ্রহীতাদের কাছে বিতরণকৃত ঋণ ব্যাংকের জন্য সম্পত্তি। তাই ঋণগ্রহীতা ব্যাংক ব্যবসার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এই গুরুত্বপূর্ণ ঋণগ্রহীতা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানটিই মধ্যেমাঝে ব্যাংকের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়, যখন ঋণগ্রহীতা তার দায়িত্ব বা কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করে না। একজন ঋণগ্রহীতার সৎ ও দায়িত্বশীল মনোভাবের মাধ্যমে যেমন একটি শক্তিশালী ব্যাংক ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব, তেমনই তাদের নেতিবাচক মনোভাব একটি ব্যাংক ব্যবস্থাকে দুর্বল করে দিতে পারে। তাই ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ঋণগ্রহীতাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করে। এবার দেখে নেওয়া যাক ব্যাংক ব্যবস্থায় একজন ঋণগ্রহীতার কী কী দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছেÑক. ঋণ নেওয়ার আগে ঋণগ্রহীতা নিজের সক্ষমতা যাচাই করে এবং ঋণ পরিশোধের সুনির্দিষ্ট পন্থা ঠিক করেই পরিমিত পরিমাণ ঋণ নিতে হবে। অতিরিক্ত ঋণ একজন ঋণগ্রহীতার জন্য বোঝাস্বরূপ, যা তার ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা হ্রাস করে। খ. ঋণগ্রহণের আগে ব্যাংকে সঠিক তথ্যাদি দেওয়া। কারণ একজন ঋণগ্রহীতার প্রদানকৃত তথ্যের ভিত্তিতেই ঋণপ্রস্তাবের বিশ্লেষণ হয়ে থাকে। অসত্য তথ্যের ভিত্তিতে ঋণ মঞ্জুর হলে তা ভবিষ্যতে ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা হ্রাস করতে পারে। গ. যে উদ্দেশ্যে ঋণ নেওয়া হয়েছে, শুধু সেই উদ্দেশ্যেই ঋণ ব্যবহার করা। এক খাতের অর্থ অন্য খাতে ব্যবহার না করা। আমাদের দেশে ঋণখেলাপি বেড়ে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ এটি। ঘ. ঋণের অর্থ ব্যবহারে আন্তরিক ও দায়িত্ববান হওয়া। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যে উদ্দেশ্যেই ঋণ নিয়ে থাকুক না কেন ঋণের অর্থের যাতে কোনো অপচয় না হয়, সে ব্যাপারে আন্তরিক হতে হবে। গ্রহণকৃত ঋণের যৌক্তিকভাবে সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ঙ. সময়মতো নির্দিষ্ট মেয়াদের মধ্যেই ঋণ সুদসহ শর্তানুসারে পরিশোধ করা, যা একজন ঋণগ্রহীতার প্রধান ও অন্যতম দায়িত্ব। ঋণ গ্রহণের পাশাপাশি ঋণ পরিশোধ করার মনোভাব লালন করতে হবে। এটি একজন ভালো ঋণগ্রহীতার প্রধান গুণ। চ. ঋণ পরিশোধের ব্যর্থতার কোনো যৌক্তিক কারণ দেখা দিলে লুকোছাপা না করে ব্যাংকের সঙ্গে খোলাখুলি আলোচনা করা এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় ঋণ পুনঃতফশিল বা পুনর্বিন্যাস করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো সমস্যা যদি শুরুতেই শনাক্ত করা যায় এবং সমাধান উদ্যোগ নেওয়া যায়, তাহলে সম্ভাব্য ঋণখেলাপি হওয়া থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। ছ. ঋণ চলাকালে ব্যাংকের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা দরকার। ঋণের শর্তানুযায়ী ঋণ ব্যবহার এবং সঠিকভাবে ঋণ পরিশোধের মাধ্যমে ব্যাংকের সঙ্গে একজন ঋণগ্রহীতার সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে, যা ব্যাংকের সঙ্গে কোনো ঋণগ্রহীতার ভবিষ্যৎ সম্পর্ককে সুদৃঢ় করে এবং ভবিষ্যতে ঋণপ্রাপ্তির সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়। জ. ব্যাংকিং আইন ও নিয়ম-কানুনের প্রতি আনুগত্য থাকা এবং ঋণগ্রহণ ও পরিশোধ যেকোনো ক্ষেত্রেই কোনো ধরনের দুর্নীতির আশ্রয় না নেওয়া। কোনো ব্যাংকার যদি দুর্নীতির জন্য প্ররোচনা দেয়, তা সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জানানোও একজন ঋণগ্রহীতার কর্তব্য।

কোনো ঋণগ্রহীতা যদি সময়মতো ঋণ পরিশোধ না করেন বা ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হন, অর্থাৎ একজন ঋণগ্রহীতা যদি ঋণখেলাপিতে পরিণত হন, তাহলে প্রথমত ব্যাংক তার সম্ভাব্য আয় থেকে বঞ্চিত হয়, যা ব্যাংকের ব্যয় নির্বাহে একটি অন্তরায় তৈরি করে এবং লাভের হারকে হ্রাস করে। এছাড়া ব্যাংকে যে পরিমাণ ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়, ঠিক সে পরিমাণ অর্থ লভ্যাংশ বা রিজার্ভ থেকে কেটে সঞ্চিতি বা প্রভিশন আকারে রাখতে হয়, যাতে আমানতকারীদের অর্থ সুরক্ষিত থাকে। এছাড়া ব্যাসেল-৩ অনুযায়ী ঋণঝুঁকি নির্ণয় করে অতিরিক্ত মূলধনের ব্যবস্থা করতে হয়, যার ফলেও লাভের হার হ্রাস পায়। একটি ব্যাংকের লভ্যাংশ কমলে তা শেয়ার বাজারে বিনিয়োগকারীদের কাছে নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। ঋণ আদায় করতে না পারায় ব্যাংক নতুন করে ঋণ প্রদানের (বিনিয়োগ) সুযোগ বা সক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে। এসবের কারণে ব্যাংকের বিভিন্ন রেটিংয়ে (ক্রেডিট রেটিং, ক্যামেলস রেটিং) নেতিবাচক ফল আসতে পারে। ফলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থা নিয়ে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হবে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য হুমকিস্বরূপ। ঋণখেলাপির পরিমাণ যত বেশি হবে, উল্লিখিত সমস্যাও তত প্রকট আকারে দেখা দেবে। এমনকি অতিমাত্রায় ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে ব্যাংক আমানতকারীদের অর্থ ফেরত প্রদানের সামর্থ্যও (তারল্য) হারিয়ে ফেলতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক সেক্টরে ঋণখেলাপির হার একটি বিষবৃক্ষের মতো। আমরা এর কিছু চিত্র দেখলেই বুঝতে পারব কতটা ভয়াবহতার মাঝে আছি আমরা।

২০১৯ সালের ৩০ জুন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, বাংলাদেশে মোট খেলাপি ঋণ ছিল এক লাখ ১২ হাজার ৪২৫ কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১১ দশমিক ৬৯ শতাংশ। খেলাপি ঋণের এই পরিমাণের সঙ্গে যদি প্রাক-শ্রেণিকৃত ঋণ (স্পেশাল ম্যানশন অ্যাকাউন্ট), আদালত কর্তৃক স্থগিতাদেশ রায়প্রাপ্ত শ্রেণিকৃত ঋণ এবং পুনঃতফসিলকৃত ঋণকে হিসাবে আনা হয়, তাহলে মোট মন্দঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই লাখ ৪০ হাজার ১৬৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা, যা মোট খেলাপি ঋণের দ্বিগুণ। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ কখনোই দুই শতাংশের বেশি হবে না। এর মধ্যে যুগোপযোগী আইন না থাকায় এবং আইনের সঠিক বাস্তবায়নের অভাবে ঋণ যেমন আদায় হচ্ছে না, তেমনি ব্যাংক সেক্টরে সুশাসনেরও ঘাটতি দেখা দিচ্ছে, যার ফলে আমরা বিভিন্ন ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের দুর্নীতির মাধ্যমে ঋণ কেলেঙ্কারির খবর পাচ্ছি, যাতে ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক জড়িয়ে যাচ্ছেন ব্যাংকাররা, আর আমানতকারীদের আমানত পড়ছে হুমকিতে।

একজন ঋণগ্রহীতা দেশের অর্থনীতিতে অতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ব্যক্তিশ্রেণির ঋণগ্রহীতাদের বাদ দিয়ে শুধু ব্যবসায়ী ও শিল্পশ্রেণির ঋণগ্রহীতারা হলেন দেশের অর্থনৈতিক ও ব্যবসা-বাণিজ্যে অগ্রগতির সরাসরি বাহক। আমানতকারীদের অলস অর্থগুলো ঋণহিসাবে গ্রহণ করে তা ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগের মাধ্যমে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি ও জিডিপিতে প্রতিনিয়ত অবদান রাখা হচ্ছে। এছাড়া ব্যক্তিশ্রেণির ঋণগ্রহীতারাও ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পরোক্ষভাবে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রেখে চলেছে। কিন্তু এর সবই স্থবির হয়ে যায় যখন ঋণগ্রহীতার ঋণপরিশোধে অনীহা তৈরি হয়। খেলাপি ঋণের কারণে বাংলাদেশের ব্যাংকিং সেক্টরের অনেক প্রতিষ্ঠান অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। সম্প্রতি একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা খুবই নাজুক। পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার এখন দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূত করার মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবছে।

আমানতকারীরাও ইদানীং ব্যাংকগুলোর প্রতি আস্থা হারাচ্ছে। ব্যাংকগুলো নতুন ঋণ প্রদানের সক্ষমতা হারাচ্ছে। কিছু ব্যাংক মূলধন সংকটে ভুগছে এবং কিছু ব্যাংক প্রভিশন ঘাটতিতে রয়েছে। এই যখন অবস্থা, তখন খেলাপি ঋণ না কমে ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, করোনা-পরবর্তী সময়ে খেলাপি ঋণের পরিমাণ হবে আরও ভয়াবহ। বর্তমানে সরকার ব্যাংকের মাধ্যমে করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা ঋণ হিসাবে বিতরণের ব্যবস্থা নিয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ের বাংলাদেশে খেলাপি ঋণের যে প্রবৃদ্ধি এবং ঋণ পরিশোধ না করার যে অপসংস্কৃতি শুরু হয়েছে, এর ফলে ব্যাংকারদের মধ্যে প্রণোদনার ঋণ বিতরণের পর ওই ঋণ ফেরত না পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা বিরাজ করছে। অর্থাৎ এখন ঋণগ্রহীতারাও ব্যাংকের কাছে আস্থা হারাচ্ছেন, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আমাদের অর্থনীতিতে। এ ধরনের ঋণের চিত্র একজন ভালো ঋণগ্রহীতার জন্য সুখকর নয়।

তাই এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ঋণগ্রহীতাদের স্বীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে এবং সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাদের দায়িত্বশীলতায় তৈরি করতে হবে আমানতকারী ও ব্যাংকারদের দৃঢ় আস্থা। তাহলেই বিদ্যমান পরিস্থিতির উন্নতি হবে। ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের তিরস্কার করতে পারে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলো। যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন এবং সেগুলো কার্যকর করার ব্যাপারে কঠোর হতে হবে। অর্থনীতির চাকাকে গতিশীল রাখার পাশাপাশি ব্যাংক সেক্টরকে পুনরুজ্জীবিত করতে, সুশাসন ফিরিয়ে আনতে ও একটি সুসংগঠিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রবর্তনে ঋণগ্রহীতাদের আন্তরিকতা এখন শুধু সময়ের দাবি। 

ব্যাংকার ও ফ্রিল্যান্স লেখক

[email protected]

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
ট্যাগ ➧

সর্বশেষ..