Print Date & Time : 30 June 2022 Thursday 1:53 am

সূচকের উত্থানে মূল ভূমিকায় জিপি

রুবাইয়াত রিক্তা: পুঁজিবাজারে গতকাল ইতিবাচক গতিতে লেনদেন হয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৫৫ শতাংশ কোম্পানির দর বৃদ্ধিতে ডিএসইএক্স সূচক বেড়েছে ২৫ পয়েন্ট। লেনদেন বেড়ে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত শীর্ষে উঠে আসে। দর বৃদ্ধিতে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল প্রকৌশল খাত। তবে জ্বালানি, বস্ত্র, ওষুধ ও রসায়ন এবং বিবিধ খাতের শেয়ারের চাহিদাও ছিল। তবে সূচকের উত্থানে মূল ভূমিকা রেখেছে গ্রামীণফোন। গতকাল গ্রামীণফোনের ১৫ কোটি ২৪ লাখ টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে ১৫ টাকা ৪০ পয়সা। এ খাতের অপর কোম্পানি বিএসসিসিএলের দর তিন টাকা ২০ পয়সা বেড়েছে।

মোট লেনদেনের ১৫ শতাংশ বা ৭৪ কোটি ৮২ লাখ টাকা লেনদেন হয়ে শীর্ষে উঠে আসে জ্বালানি খাত। এ খাতে ৭৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। খুলনা পাওয়ারের ২৪ কোটি ৮১ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দরপতন হয় ৮০ পয়সা। সামিট পাওয়ারের ২০ কোটি ২৩ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে এক টাকা। ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে তিতাস গ্যাস। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৪ শতাংশ। এ খাতে ৮৫ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। এসএস স্টিলের ৯ কোটি ৭৮ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৫০ পয়সা। বিবিএস কেব্লসের সাড়ে আট কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে সাড়ে তিন টাকা। প্রায় সাত শতাংশ বেড়ে কপারটেক ইন্ডাস্ট্রিজ দর বৃদ্ধিতে সপ্তম অবস্থানে চলে আসে। তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০১৯) কপারটেকের শেয়ারপ্রতি আয় হয়েছে ১৮ পয়সা, যা আগের বছর একই সময়ে হয়েছিল ৩০ পয়সা। এছাড়া (জুলাই-ডিসেম্বর, ২০১৯) ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ৩১ পয়সা, যা আগের বছরের ছয় মাসে হয়েছিল ৫৮ পয়সা। অর্থাৎ কোম্পানিটির অবস্থা আগের বছরের তুলনায় খারাপ হয়েছে। বস্ত্র খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে প্রায় ৭০ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। রিং শাইন টেক্সটাইলের ১৩ কোটি ৫১ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৩০ পয়সা। ৯ দশমিক ৯০ শতাংশ বেড়ে ড্রাগন সোয়েটার দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে। এছাড়া মোজাফফর হোসেন স্পিনিংয়ের দর ছয় দশমিক ৮৯ শতাংশ, আমান কটন ফাইবার্সের দর ছয় দশমিক ৮৮ শতাংশ, প্যাসিফিক ডেনিমসের দর সাড়ে ছয় শতাংশ বেড়ে দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় অবস্থান করে নেয়। আর কোনো খাতে উল্লেখযোগ্য লেনদেন হয়নি। ওষুধ ও রসায়ন খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানির দর বেড়েছে। স্কয়ার ফার্মার সাড়ে ১০ কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ২০ পয়সা। চলতি হিসাববছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর, ২০১৯) কোম্পানিটির ইপিএস বেড়েছে ৪৮ পয়সা। সোয়া আট শতাংশ বেড়ে অ্যাডভেন্ট ফার্মা দরবৃদ্ধিতে চতুর্থ অবস্থানে ছিল। দ্বিতীয় প্রান্তিক শেষে এ কোম্পানিটির ইপিএসও বেড়েছে। বিবিধ খাতে ৬১ শতাংশ শেয়ারদর বেড়েছে।