প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সূচকের টানা পতন কমেছে লেনদেন

নিজস্ব প্রতিবেদক: সপ্তাহের চতুর্থ কর্মদিবস গতকাল বুধবার দর পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় লেনদেন। সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার ১১৫ পয়েন্ট পতনের পর দিন ১১৮ পয়েন্ট উত্থানে বাজার পরিস্থিতি কিছুটা চাপ কমবে বলে মনে করেছিল বিনিয়োগকারীরা। তবে পরের দিন মঙ্গলবার ৫০ পয়েন্ট দরপতনে আশাহত হয়েছেন তারা। গতকাল প্রধান পুঁজিবাজার ডিএসইসিতে আরও ২৩ পয়েন্টের পতনে বাজার আরও আস্থাহীনতায় পরিণত হয়।

বিএসইসি এবং অর্থমন্ত্রীর নির্দেশনার পর টানা পতনে থাকতে দেখা গেছে  পুঁজিবাজার। এতে ১১ কার্যদিবসের মধ্যে ১০ কার্যদিবসই পতন হয়েছে পুঁজিবাজারে। গতকাল পুঁজিবাজারের সব সূচকই কমেছে। সূচকের সঙ্গে অধিকাংশ শেয়ারের দর এবং টাকার পরিমাণে লেনদেনও কমেছে। দিন শেষে ২৫০টি কোম্পানির শেয়ার দর কমেছে, আর বেড়েছে ৭৬টি কোম্পানির দর, অপরিবর্তিত ছিল ৪৯টির দর।

গতকাল ডিএসইতে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ৫১৩ কোটি ১১ লাখ টাকার। যা আগের কার্যদিবস থেকে ১৪৭ কোটি ৭৩ লাখ টাকা কম। আগের কার্যদিবস লেনদেন হয়েছিল ৬৬০ কোটি ৮৪ লাখ টাকার।

প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৩ দশমিক ৮১ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ১৮৭ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে। ডিএসইর অপর সূচকগুলোর মধ্যে শরিয়াহ সূচক ৩ দশমিক ৮২ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ২৭ শতাংশ এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৭ দশমিক ০৬ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৩০ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে এক হাজার ৩৬৩ দশমিক ৪৫ পয়েন্টে এবং দুই হাজার ২৮৭ দশমিক ৯৮ পয়েন্টে।

ডিএসইতে ৩৭৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৭৬টির বা ২০ দশমিক ২৭ শতাংশের শেয়ার ও ইউনিট দর বেড়েছে। দর কমেছে ২৫০টির বা ৬৬ দশমিক ৬৭ শতাংশের এবং ৪৯টির বা ১৩ দশমিক ০৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট দর অপরিবর্তিত ছিল।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১২০ দশমিক ২২ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৬৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ১৬২ দশমিক ৪০ পয়েন্টে। সিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৬৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ার দর বেড়েছে ৫১টির, কমেছে ১৮৭টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৩০টির দর। সিএসইতে ১৫ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।