দিনের খবর প্রচ্ছদ প্রথম পাতা বাজার বিশ্লেষণ

সূচকের বড় পতনের নেপথ্যে ছিল ব্যাংক, গ্রামীণফোন ও স্কয়ার ফার্মা

রুবাইয়াত রিক্তা: আগের দিনের ধারাবাহিকতায় গতকাল আরও বেশি সূচকের পতন হয়েছে পুঁজিবাজারে। তবে বিক্রির চাপ বেশি থাকার কারণে লেনদেন বেড়েছে। এছাড়া সিমেন্ট খাতের লাফার্জহোলসিম ও নতুন তালিকাভুক্ত এডিএন টেলিকমের বড় অঙ্কের লেনদেনের কারণে ডিএসইর লেনদেন বেড়েছে। আগের দিন ডিএসইএক্স সূচক ৫৯ পয়েন্ট পতন হলেও গতকাল কমেছে ৬৮ পয়েন্ট। আগের দিন ৭৬ শতাংশ কোম্পানি দর হারালেও গতকাল কমেছে ৭১ শতাংশ। গতকাল সূচকের পতনে ভূমিকা রেখেছে ব্যাংক খাতের বড় পতন। ব্যাংক ছাড়াও সূচকে প্রভাব বিস্তারকারী গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মার বড় দরপতনও সূচকের পতনে মূল ভূমিকা রাখে।

১৫ শতাংশ লেনদেন হয়ে ব্যাংক খাত শীর্ষে উঠে এলেও এ খাতে ৭০ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। বেড়েছে মাত্র তিন প্রতিষ্ঠানের দর। ব্র্যাক ব্যাংকের সাড়ে ১৬ কোটি টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দরপতন হয় তিন টাকা ৪০ পয়সা। দরপতনের শীর্ষ দশের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে উঠে আসে ব্যাংকটি। প্রকৌশল খাতে লেনদেন হয় ১৩ শতাংশ। এ খাতে প্রায় ৬২ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজের সাড়ে ছয় কোটি টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৫০ পয়সা। এছাড়া চার শতাংশ বেড়ে বিডি ল্যাম্পস, তিন দশমিক ৬৫ শতাংশ বেড়ে কপারটেক, দুই দশমিক ৮০ শতাংশ বেড়ে এটলাস বাংলাদেশ দর বৃদ্ধির শীর্ষ দশের তালিকায় উঠে আসে। বিমা খাতে লেনদেন হয় ১১ শতাংশ। এ খাতে ৫৯ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সের সাত কোটি ১৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৮০ পয়সা। কোম্পানিটি দর বৃদ্ধিতে অষ্টম অবস্থানে ছিল। নিটোল ইন্স্যুরেন্সের দর তিন দশমিক ১২ শতাংশ বেড়েছে। ওষুধ ও রসায়ন খাতে লেনদেন হয় ১০ শতাংশ। এ খাতে ৭৮ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। স্কয়ার ফার্মার ৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়, দরপতন হয় তিন টাকা ৩০ পয়সা। বীকন ফার্মার আট কোটি ৯০ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর বেড়েছে ৭০ পয়সা। বস্ত্র খাতে ৫৩ শতাংশ কোম্পানির দরপতন হয়। জেনেক্স ইনফোসিসের ছয় কোটি ৩৯ লাখ টাকা লেনদেন হয়। দর কমেছে এক টাকা ৭০ পয়সা। চার দশমিক ৩৭ শতাংশ বেড়ে হা ওয়েল টেক্সটাইল দর বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে আসে। এছাড়া গতকাল বাজারে নেতৃত্ব দিয়েছে সিমেন্ট খাতের লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ। ২৬ কোটি ২০ লাখ টাকা লেনদেনের পাশাপাশি দর বেড়েছে তিন টাকা। লেনদেন ও দর বৃদ্ধির শীর্ষে উঠে আসে কোম্পানিটি। আর্থিক বছর শেষ হওয়াতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ও লেনদেন বাড়ছে। কোম্পানিটি গত পাঁচ বছর ধরে ১০ শতাংশ হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়ে আসছে। এছাড়া গতকাল বাজারে আসা এডিএন টেলিকম লিমিটেডের শেয়ার সার্কিট ব্রেকারের সর্বোচ্চ সীমায় বিক্রি হয়েছে। ২৭ টাকা ইস্যুমূল্যের শেয়ারটির দর ৫০ শতাংশ বেড়ে ৪০ টাকা ৫০ পয়সায় লেনদেন হয়েছে। কোম্পানিটির ১৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..