দিনের খবর প্রথম পাতা

সূচক পতনের দিনে লেনদেনে এগিয়ে প্রকৌশল ও ওষুধ খাত

মুস্তাফিজুর রহমান নাহিদ: ঈদ-পরবর্তী প্রথম কার্যদিবসে সূচক ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও এক দিন পরই এর উল্টোচিত্র দেখা গেছে। গতকাল দিন শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক কমেছে ২০ পয়েন্ট। দিন শেষে সূচকের অবস্থান হয়েছে ছয় হাজার ৪০৪ পয়েন্টে। একইভাবে কমে গেছে লেনদেন হওয়া বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর। লেনদেন হওয়া প্রতিষ্ঠানের মধ্য গতকাল দর কমছে ২২৯টির, বেড়েছে ১১১টির এবং ৩৪টির দর অপরিবর্তিত ছিল।

এদিকে গতকালের বাজার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, লেনদেনের শুরু থেকেই বেশিরভাগ কোম্পানিতে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যা বেশি ছিল। মূলত মুনাফা তোলার জন্যই বিক্রেতার ভূমিকায় দেখা যায় বেশিরভাগ বিনিয়োগকারীকে। এর জেরে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর কমতে শুরু করে। দিনের শেষ পর্যন্ত একই অবস্থা ছিল।

অন্যদিকে খাতভিত্তিক লেনদেনে চোখ রাখলে দেখা যায়, সূচক পতনের দিনে লেনদেনে এগিয়ে ছিল ওষুধ ও রসায়ন এবং প্রকৌশল খাত। গতকাল মোট লেনদেনে ওষুধ ও রসায়ন খাতের অবদান ছিল ১২ দশমিক ২৮ শতাংশ। পরের অবস্থানে থাকা প্রকৌশল লেনদেনে ১১ দশমিক ৮১ শতাংশ অবদান রাখতে সক্ষম হয়। এর পরে ছিল বিমা খাত। এ খাতটি লেনদেনে প্রায় ১০ শতাংশ অবদান রাখে।  এছাড়া অন্য খাতগুলোর লেনদেনে তেমন অংশগ্রহণ লক্ষ করা যায়নি।

এদিকে গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মোট এক হাজার ৪২৮ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট কেনাবেচা হয়। এর মধ্য ব্লক মার্কেটে লেনদেন ছিল প্রায় ৪০ কোটি টাকা। এ মার্কেটে মোট ৩৭টি কোম্পানি লেনদেনে অংশ নেয়। কোম্পানিগুলোর এক কোটি ১৫ লাখ ৬৩ হাজার ৬৭৫টি শেয়ার ৬৭ বার হাতবদল হয়েছে। এর মাধ্যমে কোম্পানিগুলোর ৩৯ কোটি ৮৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুরোর মধ্য সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ ছয় কোটি ৮৬ লাখ ৩৯ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছয় কোটি ১৯ লাখ ৯১ হাজার টাকা সাউথইস্ট ব্যাংকের এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ চার কোটি ৩৫ লাখ ১৪ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে ফরচুন শুজের।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..