শেষ পাতা

সেরা করদাতা কাউছ মিয়াকে সম্মাননা

ইএফডির লটারির ড্র

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুজিববর্ষে সেরা করদাতা ব্যবসায়ী হাজী মো. কাউছ মিয়াকে সম্মাননা দেয়া হয়েছে। গতকাল সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে তাকে সম্মাননা দেয়া হয়। কাউছ মিয়ার হাতে সম্মাননা স্মারক, ক্রেস্ট ও মানপত্র তুলে দেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

অনুষ্ঠানে ফেব্রুয়ারিতে ইএফডিতে কেনাকাটায় ইস্যুকৃত চালানের লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রথম পুরস্কার হিসেবে এক লাখ টাকা পেয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেটের আওতাধীন কোনো হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিংমলের ভাগ্যবান একজন ক্রেতা। যার লটারির কূপন নাম্বার ০০৩৩২১ঊজডঊঠঊত৮২০। দ্বিতীয় পুরস্কার ৫০ হাজার টাকা জিতেছেন ঢাকা পূর্ব ভ্যাট কমিশনারেটের আওতাধীন হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিংমল থেকে কেনাকাটা করা একজন ভাগ্যবান ক্রেতা। যার লটারির কূপন নাম্বার ০০৩১২১ঋঊঠঊঠঅঘ৩৬০।

অনুষ্ঠানে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আমরা চেয়েছিলাম মুজিববর্ষে দেশের বিশিষ্ট করদাতাদের সম্মান জানাতে। সেখান থেকেই আমরা একজনকে বেছে নিই। হাজী মো. কাউছ মিয়া দীর্ঘদিন ধরে দেশের সর্বোচ্চ করদাতাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি কর দেয়াকে নিজের দায়িত্ব মনে করেন। কাউছ মিয়া বলেন, একাত্তরের সময় বঙ্গবন্ধু আমাকে ভালোবেসে ছিলেন। এখন তার শতবর্ষে এসে এ পুরস্কার আমার জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি। আমি অনেক খুশি ও আনন্দিত।

অনুষ্ঠানে ইএফডি/এসডিসি মেশিন ব্যবহারকারী ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে পারফরম্যান্স বিবেচনায় সম্মাননা দেয়া হয়। ইএফডি/এসডিসি মেশিন ব্যবহারের মাধ্যমে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ভ্যাট সংগ্রহ করায় সম্মাননা পেয়েছে ধানমন্ডির স্টার হোটেল অ্যান্ড কাবাব। গত বছরের নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারির বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটিকে এ সম্মাননা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে স্টার হোটেল অ্যান্ড কাবাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর আক্তার উদ্দিনের হাতে সম্মাননা তুলে দেন এনবিআর চেয়ারম্যান।

এ সময় চেয়ারম্যান বলেন, আমরা সাধারণ জনগণকে ইএফডি/এসডিসি মেশিন ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করছি। নতুন একটি সিস্টেমের সঙ্গে অভ্যস্ত করা সহজ বিষয় নয়। আমরা মেশিনের মাধ্যমে খুচরা পর্যায় থেকে ভ্যাট সংগ্রহের যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছিলাম, সেটি এত দ্রুত

 সফল করা সম্ভব নয়। তবে আমরা আশাবাদী এটির সঙ্গে সবাই ধীরে ধীরে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে। তিনি বলেন, খুচরা পর্যায়ে অনেকে ভ্যাট দিতে চায় না। অনেকের কাছ থেকে ভ্যাট আদায় করাও সহজ নয়। অনেকেই ভাবে এ মেশিনে ভ্যাট দিলে তা আদৌ সরকারের কাছে পৌঁছাবে কি না। তবে আমি এটুকু বলতে চাইÑইএফডি/এসডিসি মেশিন ব্যবহার করে খুচরা পর্যায়ে যে ভ্যাট দেয়া হচ্ছে, তা সরকারের কাছেই যাচ্ছে। আর এটি ভবিষ্যতে উপজেলা পর্যায় পর্যন্তও নেয়া হবে। আর এ পদ্ধতি ব্যবহার করে রিটার্ন দেয়াও খুব সহজ।

অপরদিকে, ইএফডি মেশিন থেকে ইস্যুকৃত চালানের দ্বিতীয় লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রথম ও দ্বিতীয় পুরস্কারসহ মোট ১০১টি লটারির পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। এতে তৃতীয় পুরস্কার হিসেবে ২৫ হাজার টাকা করে লটারি জিতেছেন পাঁচজন। বিজয়ীরা হলেন-০০০১২১ঋঊটতইউঙঝ৮১৮, ০০১৩২১ঞঊঔঠঠছঔ৮৭৩, ০০২৫২১ঞঈচঊঊছই২১৩, ০০০০২১চওণঊঠঐঊ১৫৯, ০০২৫২০ঙওঘখঐঞখ০৪৬। এছাড়া আরও ৯৪ জন বিজয়ী ১০ হাজার টাকা করে পুরস্কার জিতেছেন। পুরস্কার প্রাপ্তিতে সমস্যা হলে ০১৯৬৩৬৩৬৫৫৪ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য এনবিআর থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। লটারিতে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা এনবিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

এনবিআর থেকে জানানো হয়েছে, যে মাসে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হবে তার পূর্ববর্তী মাসের প্রথম দিবস হতে শেষ কার্যদিবস পর্যন্ত ইস্যুকৃত মূসক চালান লটারির জন্য বিবেচিত হবে। নীতিমালা অনুসারে একবার লটারির জন্য বিবেচিত হয়েছে এমন চালান পরবর্তী কোনো লটারির জন্য পুনর্বিবেচনা করা হবে না।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
ট্যাগ ➧

সর্বশেষ..