বিশ্ব সংবাদ

সৌদি আরবের যুবরাজকে এড়িয়ে চলতে চাইছেন বাইডেন

শেয়ার বিজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সখ্য ছিল। বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন তা বজায় রাখতে চায় না। যুবরাজকে পাশ কাটিয়ে চলতে চাইছেন নতুন প্রেসিডেন্ট। এরই মধ্যে তারা ইঙ্গিত দিয়েছে, তার সঙ্গে যেকোনো রকমের প্রত্যক্ষ যোগাযোগ কমিয়ে আনা হবে। শুধু তাই নয়, সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার ঘটনায় মোহাম্মদ বিন সালমানের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তৈরি একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন কংগ্রেসে উপস্থাপন করবেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। খবর: দ্য গার্ডিয়ান।

সৌদি আরবের বাদশা সালমান জীবিত থাকলেও তার ছেলে যুবরাজ মোহাম্মদকে ক্ষমতার মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। বিভিন্ন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে বৈঠকে বাদশার বদলে ৩৫ বছর বয়সী যুবরাজকেই প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা যায়। মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে কাজ করতে পছন্দ করত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। তার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতেন ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনারও। ২০১৮ সালে ইস্তানবুলে সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাসোগিকে হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের তৈরি একটি তদন্ত প্রতিবেদনও ধামা চাপা দিয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। বাইডেন নির্বাচনী প্রচারণার সময় জামাল খাসোগি হত্যায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন। সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান সম্পর্ক নতুন করে পর্যালোচনা করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি।

এ সপ্তাহে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি জানান, সৌদি আরবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করবেন জো বাইডেন। যুবরাজ নয়, বরং বাদশাহ সালমানের সঙ্গেই আলোচনা করবেন তিনি। সাকি বলেন, ‘প্রথম থেকেই স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি যে, আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করতে যাচ্ছি। আলোচনা হবে সমপর্যায়ের ব্যক্তিদের মধ্যে। এক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সমপদ হলেন সৌদি আরবের বাদশা সালমান। আশা করি, উপযুক্ত সময়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হবে।’

আবার বাইডেন প্রশাসনের নতুন গোয়েন্দাপ্রধান জানিয়েছেন, শিগগিরই খাসোগি হত্যার অপ্রকাশিত সে তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..