কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

স্কয়ার টেক্সটাইল ও রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সের ঋণমান নির্ণয়

নিজস্ব প্রতিবেদক : স্কয়ার টেক্সটাইল লিমিটেড ও রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (ক্রিসেল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

স্কয়ার টেক্সটাইল লিমিটেড: কোম্পানিটি দীর্ঘ মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এএ’ এবং স্বল্প মেয়াদে পেয়েছে ‘এসটি-১’। ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং দিয়েছে ক্রিসেল।

কোম্পানিটি ২০০২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১৯৭ কোটি ২৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৭৩০ কোটি ১৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। কোম্পানির ১৯ কোটি ৭২ লাখ ৫২ হাজার শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৬১ দশমিক ৮৩ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২১ দশমিক ২৮ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে তিন দশমিক ৩৩ শতাংশ এবং বাকি ১৩ দশমিক ৫৬ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে।

২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এছাড়া কোম্পানিটির ভবিষ্যতে ব্যবসার সম্প্রসারণের জন্য অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে বিএমআরই এবং জমি কেনার জন্য ৩০ কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে পরিচালনা পর্ষদ। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ১৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা দুই পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে তিন টাকা ৩৮ পয়সা লোকসান।

রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড: কোম্পানিটির দাবি পরিশোধের সক্ষমতা অনুযায়ী রেটিং পেয়েছে ‘এএএ’। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং দিয়েছে ক্রিসেল।

কোম্পানিটি ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ২০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০৫ কোটি ১৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৪৮৫ কোটি ৯২ লাখ ৯০ হাজার টাকা। কোম্পানির ১০ কোটি ৫১ লাখ ৬১ হাজার ৮৭টি শেয়ার রয়েছে। মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৬৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ছয় দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং বাকি ২৭ দশমিক ৮৮ শতাংশ শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে রয়েছে।

৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ সমাপ্ত হিসাববছরে ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে পাঁচ টাকা ২১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৬০ টাকা ৮২ পয়সা।

এর আগে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ১৫ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে, যা তার আগের বছরের সমান। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল পাঁচ টাকা ২৮ পয়সা ও এনএভি ৬৪ টাকা ৬৩ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে চার টাকা ৫৩ পয়সা ও ৫৫ টাকা ৮১ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ১৪৩ কোটি ৭৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা, যা আগের বছর ছিল ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..