প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

স্কয়ার ফার্মার সহযোগী প্রতিষ্ঠান হবে নাইরোবিতে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে সহযোগী প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ। ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে নতুন এ প্রতিষ্ঠানটির কাজ শেষ হবে বলে কোম্পানিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্রমতে, কেনিয়াতে স্কয়ার ফার্মার সহযোগী প্রতিষ্ঠানটি স্থাপন করতে আনুমানিক ব্যয় হবে দুই কোটি ডলার। এর মধ্যে ৮০ লাখ ডলার ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে কোম্পানি থেকে দেওয়া হবে। আর বাকি টাকা ঋণের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হবে বলে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ওষুধ ও রসায়ন খাতের ‘এ’ ক্যাটাগরির এ কোম্পানিটি ১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি ৩০ জুন ২০১৬ পর্যন্ত সমাপ্ত ১৫ মাসের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে বিনিয়োগকারীদের ৪০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ বোনাসসহ মোট ৫০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ সময় কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১৪ টাকা ৮০ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৫৭ টাকা আট পয়সা, যা জানুয়ারি ২০১৪ থেকে মার্চ ২০১৫ পর্যন্ত সময়ে ইপিএস ছিল ১০ টাকা ৪৬ পয়সা ও এনএভি ছিল ৪৪ টাকা ৯৫ পয়সা।  ২০১৫ সালের সমাপ্ত বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ নগদ ও সাড়ে ১২ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছিল ১০ টাকা ৮০ পয়সা এবং এনএভি ৫৬ টাকা ৯ পয়সা ছিল। আগের বছরের একই সময়ে যার পরিমাণ ছিল ১০ টাকা ২৬ পয়সা ও ৫৫ টাকা ৪৮ পয়সা। ওই বছর কোম্পানিটি কর-পরবর্তী মুনাফা করেছিল ৫৯৮ কোটি ৩৮ লাখ ১০ হাজার টাকা, যা আগের বছরে ছিল ৪৯৪ কোটি ৪৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় অনুপাতে ২৩ দশমিক পাঁচ শতাংশ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১৬ দশমিক ৩১ শতাংশ। এক হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৬২৩ কোটি ৫৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ দুই হাজার ২৮২ কোটি ২০ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট ৬২ কোটি ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ৫৪৬টি শেয়ার রয়েছে।

গতকাল কোম্পানিটির পাঁচ লাখ ৯৬ হাজার ৫৯টি শেয়ার মোট এক হাজার ২৭৫ বার লেনদেন হয়। এর বাজারদর ছিল ১৫ কোটি ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। শেয়ারদর আগের কার্যদিবসের চেয়ে শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ বা এক টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ২৫৪ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২৫৩ টাকা ৮০ পয়সা। শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২৫৩ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২৫৫ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ২৪২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ২৭৪ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে। কোম্পানিটি প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ২৪২ কোটি ৪১ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ইপিএস ছিল তিন টাকা ৮৯ পয়সা। এটি আগের বছর একই সময় ছিল তিন টাকা ১৮ পয়সা। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত এনএভি ছিল ৬৯ টাকা ১৭ পয়সা। তিন মাসে এনএভি বেড়েছে চার টাকা ১৩ পয়সা। কোম্পানিটির মোট ৬২ কোটি ৩৫ লাখ ৮৬ হাজার ৫৪৬টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৩৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীর কাছে ১২ দশমিক ১১ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৬ দশমিক ২৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৩৫ দশমিক ২৯ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।