কোম্পানি সংবাদ

স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকের ঋণমান ‘বিবিবি’ ও ‘এসটি-৩’

নিজস্ব প্রতিবেদক: সিরামিক খাতের কোম্পানি স্ট্যান্ডার্ড সিরামিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ঋণমান অবস্থান (ক্রেডিট রেটিং) নির্ণয় করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যমতে, কোম্পানিটি দীর্ঘমেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘বিবিবি’ ও স্বল্প মেয়াদে রেটিং পেয়েছে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন ২০১৮ পর্যন্ত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্যের আলোকে এ রেটিং সম্পন্ন হয়েছে।
এদিকে কোম্পানিটির কারখানার মূল উৎপাদন প্রক্রিয়ার একটা চুল্লি সংস্কারের জন্য গত ১৪ আগস্ট থেকে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। এই সংস্কার কাজ শেষ হতে দুই মাসের সামান্য কম বা বেশি সময়ের প্রয়োজন হতে পারে। আর আগামী অক্টোবর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে কোম্পানিটি পুনরায় বন্ধ থাকা অংশটির কার্যক্রম শুরু করবে বলে পর্ষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর দুই দশমিক ৮৫ শতাংশ বা ১০ টাকা ৩০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি শেয়ার সর্বশেষ ৩৭১ টাকা ২০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩৭০ টাকা ৯০ পয়সা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৩৬৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৩৭৩ টাকা ৮০ পয়সায় হাতবদল হয়। ওইদিন ৯৫ হাজার ৫৪৮টি শেয়ার মোট এক হাজার ২২০ বার হাতবদল হয়। যার বাজার দর তিন কোটি ৫৩ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। গত এক বছরে শেয়ারদর ১২৪ টাকা থেকে ৩৭৩ টাকা ৮০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।
২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটি দুই শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৫৮ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) হয়েছে ১৪ টাকা ৯৬ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে এক কোটি এক লাখ ৯০ হাজার টাকা।
এর আগে ৩০ জুন ২০১৬ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল। ওই সময় ইপিএস হয়েছে এক টাকা ছয় পয়সা এবং এনএভি ১৪ টাকা ৯০ পয়সা। এটি তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৫০ পয়সা ও ১৪ টাকা ৩৬ পয়সা।
কোম্পানিটি ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘বি’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন হচ্ছে। ১০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ছয় কোটি ৪৬ লাখ ১০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ এক কোটি ৭৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।
কোম্পানিটির মোট ৬৪ লাখ ৬০ হাজার ৬৫০টি শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্য মতে মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ২৮ দশমিক ৫০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক দুই দশমিক ৫৭ শতাংশ এবং সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

 

সর্বশেষ..