বাণিজ্য সংবাদ শিল্প-বাণিজ্য

‘স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোলের অবৈধ ব্যবহারে বছরে ক্ষতি ৮০০ কোটি টাকা’

নিজস্ব প্রতিবেদক: তামাক কর আদায়ে স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহারের বর্তমান দুর্বল পদ্ধতি, নানা সীমাবদ্ধতা ও অবৈধভাবে ব্যবহারের কারণে সরকার প্রতিবছর প্রায় ৮০০ কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে, যা তামাক খাত থেকে আয়কৃত রাজস্বের প্রায় চার শতাংশের সমান। তামাক কোম্পানিগুলো একই ব্যান্ডরোল ও স্ট্যাম্প দ্বিতীয়বার ব্যবহার করে কর ফাঁকি দিচ্ছে। এ পদ্ধতিতে তামাক কোম্পানি যাতে আর কর ফাঁকি দিতে না পারে, সেজন্য স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ট্র্যাকিং ও ট্রেসিংয়ের জন্য ডিজিটাল কর আদায় পদ্ধতি গড়ে তুলতে হবে। গতকাল এক ওয়েবিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি) ও ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ সেল ‘তামাক কর আদায়ে স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহারের বর্তমান পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা ও সময়োপযোগী প্রস্তাব’ শীর্ষক ওই ওয়েবিনারের আয়োজন করে।

বিএনটিটিপি’র টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হকের সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে মূল বিষয়বস্তু উপস্থাপন করেন বিএনটিটিপি’র গবেষণা সহকারী আদিবা কারিন। এতে আলোচক ছিলেন আন্তর্জাতিক সংস্থা ইউনিয়নের কারিগরি পরামর্শক সৈয়দ মাহবুবুল আলম, প্রত্যাশা মাদকবিরোধী সংগঠনের সম্পাদক হেলাল আহমেদ, এইড ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক সাগুফতা সুলতানা, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির টোব্যাকো কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ সেলের সদস্য সচিব সহযোগী অধ্যাপক বজলুর রহমান।

ওয়েবিনারে বক্তারা বলেন, রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে এনবিআরকে এমনভাবে প্যাকেটে স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল বসাতে হবে যাতে কোম্পানি সেগুলো দ্বিতীয়বার ব্যবহার করতে না পারে। একইসঙ্গে মনিটরিং ও ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে রাজস্ব বোর্ড যাতে নজরদারি করতে পারে, সেজন্য তাদের আরও আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে। তারা বলেন, এরই মধ্যে কেনিয়া, আরব আমিরাত ও জর্জিয়া ডিজিটাল কর ব্যবস্থা চালু করে অনেক লাভবান হয়েছে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..