কোম্পানি সংবাদ

স্পট মার্কেটে ম্যারিকো বাংলাদেশ

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: গতকাল থেকে স্পট মার্কেটে লেনদেন হচ্ছে ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের শেয়ার। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।
কোম্পানিটির রেকর্ড ডেট নির্ধারিত হয়েছে আগামীকাল মঙ্গলবার। এর আগের দুই কার্যদিবস অর্থাৎ গতকাল রোববার ও আজ সোমবার কোম্পানির শেয়ার স্পট মার্কেটে লেনদেন হচ্ছে। রেকর্ড ডেটের দিন অর্থাৎ আগামীকাল শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। রেকর্ড ডেট শেষ হওয়ার পরদিন থেকে শেয়ার লেনদেন স্বাভাবিক নিয়মেই চলবে।
২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন, ২০১৯) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করে। তথ্যমতে, ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত প্রথম প্রান্তিক বা তিন মাসের আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে অন্তর্বর্তীকালীন ২৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে ২৬ টাকা ৯৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ টাকা ৬২ পয়সা। শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৮৫ পয়সা। যা ২০১৯ সালের ৩১ মার্চে ছিল ৪১ টাকা ৩৪ পয়সা। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামীকাল ২০ আগস্ট।
এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর শূন্য দশমিক তিন শতাংশ বা ৫০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ এক হাজার ৭৯১ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল এক হাজার ৭৯৭ টাকা ৮০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন এক হাজার ৭৮৫ টাকা থেকে সর্বোচ্চ এক হাজার ৮০৫ টাকায় ওঠানামা করে। ওইদিন দুই হাজার ৬৫৯টি শেয়ার মোট ১৪৪ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর ৪৭ লাখ ৭৬ হাজার টাকা। এক বছরের মধ্যে শেয়ারদর এক হাজার ৯৫ টাকা থেকে এক হাজার ৮২৭ টাকা ৯০ পয়সায় ওঠানামা করে।
এর আগে ৩১ মার্চ ২০১৯ সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি সর্বমোট ৬৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ৬০০ শতাংশ অন্তর্বর্তীকালীন লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল আর সর্বশেষ ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা দিয়েছিল।
এর আগের বছর অর্থাৎ ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ৬০০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল, যা তার আগের বছরের চেয়ে ১০০ শতাংশ বেশি। ২০১৮ সালে ইপিএস হয়েছিল ৫২ টাকা ১৫ পয়সা আর শেয়ার প্রতি এনএভি হয়েছিল ৪৭ টাকা ৩৮ পয়সা। যা তার আগের বছর একই সময় ছিল ৪৫ টাকা ৭২ পয়সা ও ৫০ টাকা ১৬ পয়সা। ২০১৮ সালে মোট মুনাফা করে ১৬৪ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা, যা আগের বছর হয়েছিল ১৪৪ কোটি এক লাখ ৯০ হাজার টাকা।
ওষুধ ও রসায়ন খাতের এ কোম্পানিটি ২০০৯ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৪০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৯২ কোটি ৩২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির তিন কোটি ১৫ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৯০ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক দুই দশমিক ৩৭ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী ছয় দশমিক ৭৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে শূন্য দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৩৪ দশমিক ৪৭ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১৬ দশমিক ৬৮।
এদিকে কোম্পানিটির প্রথম প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন, ২০১৯) নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ইপিএস হয়েছে ২৬ টাকা ৯৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ১৭ টাকা ৬২ পয়সা। ৩০ জুন ২০১৯ তারিখে শেয়ার প্রতি এনএভি দাঁড়িয়েছে ৬৬ টাকা ৮৫ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ৩১ মার্চে ছিল ৪১ টাকা ৩৪ পয়সা। আলোচিত সময়ে শেয়ার প্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ দাঁড়িয়েছে ৩৫ টাকা ৫৬ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ২৯ টাকা ৫৯ পয়সা।

সর্বশেষ..