বাণিজ্য সংবাদ শিল্প-বাণিজ্য

স্বর্ণের দাম ছাড়াল ভরিতে ৭৭ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাসের মধ্যে অস্থিরতা চলছে আন্তর্জাতিক স্বর্ণের বাজার। এর প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারেও। এতে ১২ দিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম বাড়ল দুইবার। এতে ভরিপ্রতি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছাড়াল ৭৭ হাজার টাকা। এর আগে এক বছরে (২০১৯-২০ অর্থবছর) দেশে স্বর্ণের দাম বাড়ে ১২ বার।

গতকাল থেকে ভরিপ্রতি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম বাড়ছে চার হাজার ৪৩৬ টাকা। এতে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের (২২ ক্যারেট) প্রতি ভরির দাম পড়বে ৭৭ হাজার ২১৬ টাকা। এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। এর আগে গত ২৯ মে দেশে স্বর্ণের দামে রেকর্ড হয়। এর পর থেকে পর্যায়ক্রমে চার দফা স্বর্ণের দামে রেকর্ড।

এদিকে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৭৪ হাজার ৬৬ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৫ হাজার ৩১৮ ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ৫৪ হাজার ৯৯৬ টাকায়। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বাজুসের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগারওয়ালা শেয়ার বিজকে বলেন, করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতিতে মন্দা চলছে। বিশ্বে অনেক পণ্যের দামও পড়ে যাচ্ছে। তবে এ সময়ে মানুষের সম্পদ হচ্ছে স্বর্ণ। যে কারণে এ সময়ে স্বর্ণের দাম বাড়ছে। গত কয়েক মাস ধরে বিশ্বব্যাপী স্বর্ণের দাম বেড়েই চলেছে। এটি আরও বাড়তে পারে, যা আপাতত কমার সুযোগ নেই।

বাজুসের তথ্যমতে, গত জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম অস্থির হয়ে উঠেছিল। এতে ১৯ ফেব্রুয়ারি দেশে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ৬১ হাজার ৫২৮ টাকা। এটি ছিল ওই সময় দেশের বাজারে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম। এর আগে দেশে স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছিল ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। সে সময় প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছিল ৬০ হাজার ৬৫৩ টাকা।

যদিও করোনায় সারা দেশে সাধারণ ছুটির মাঝেই অনেকটা নীরবে আরেক দফা স্বর্ণের দাম বাড়ায় বাজুস। সে সময় প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ৬৪ হাজার ১৫২ টাকা। তবে সে সময় দেশব্যাপী সাধারণ ছুটি থাকায় তা আর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানায়নি সংগঠনটি।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..