মত-বিশ্লেষণ

স্মরণীয়-বরণীয়

ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সেনা, স্বাধীনতা সংগ্রামী, অগ্নিযুগের বিপ্লবী শহীদ তারকেশ্বর সেনগুপ্ত’র ৯০তম শহীদ দিবস আজ। তারকেশ্বর সেনগুপ্ত ১৯০৫ সালের ১৫ এপ্রিল ব্রিটিশ ভারতের, বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলাধীন গৈলা গ্রামের মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি তার পারিবারিক পরিবেশে দেশপ্রেমের দীক্ষায় অনুপ্রাণিত হন।

তারকেশ্বর ১৯২৪ সালে গৈলা স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯২৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে আই.এ. পরীক্ষা দেন কিন্তু অকৃতকার্য হন। ১৯২৫ সালে তিনি শঙ্কর মঠ এবং গাইলা সেবাশ্রমের সঙ্গে যুক্ত হন। তারকেশ্বর সেন ও তার সতীর্থরা মিলে নিজ গ্রামে ‘গৈলা সেবাশ্রম’ (গৈলা শহীদ স্মৃতিসংঘ) গড়ে তোলেন, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা ও বৈপ্লবিক ভাবধারা সঞ্চার করা। তিনি সঙ্গীদের নিয়ে নৈশ বিদ্যালয় ও পাঠাগার স্থাপনসহ নানা কৃষ্টিমূলক কাজকর্মও পরিচালনা করতেন। তারকেশ্বর সেনগুপ্ত ছিলেন একজন বিপ্লবী সমাজকর্মী। তিনি মাস্টারদা সূর্যসেনের বিপ্লবী দল যুগান্তরের গাইলা শাখার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সূর্যসেনের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনেও তিনি অংশ নেন। তিনি মহাত্মা গান্ধীর আহ্বানে অসহযোগ আন্দোলন ও লবণ সত্যাগ্রহে অংশগ্রহণ করেন। বিপ্লবী তারকেশ্বর  ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে যোগ দিয়ে গ্রেপ্তার হন এবং কয়েক মাসের জন্য কারা ভোগ করেন। পরে লবণ সত্যাগ্রহ আন্দোলনে যোগ দেন এবং ডি.আই শাসনে আবার গ্রেপ্তার হন। এবার তাকে হিজলি কারাগারে পাঠানো হয়। ১৯৩১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর হিজলি ডিটেনশন ক্যাম্পে তারকেশ্বর সেনগুপ্ত (২৬) ও তার  সঙ্গীরা পুলিশের গুলিতে হত্যার শিকার হন। পরে আইনজীবী যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত ও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর চেষ্টা ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ট্রেনে করে তাদের মৃতদেহ কলকাতায় এনে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। তারকেশ্বরের জš§ভূমি গৈলা গ্রামে তার স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। এই স্মৃতিস্তম্ভের শিলান্যাস করেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। কাজী সালমা সুলতানা e��d

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..