প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

স্লোভেনিয়ার সঙ্গে সরাসরি জাহাজ চালু হলে রপ্তানি বাড়বে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম: বিজিএমইএ’র সভাপতি ফারুক হাসানের আমন্ত্রণে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশ সেøাভেনিয়ার পোর্ট অব কোপারের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরে সরাসরি কনটেইনারবাহী জাহাজ চলাচলের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি প্রতিনিধিদল বিজিএমইএ নেতাদের সঙ্গে গতকাল খুলশীস্থ বিজিএমইএ ভবনে এক সভায় মিলিত হন।

এ সময় বিজিএমইএর সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, রাকিবুল আলম চৌধুরী, পরিচালক এম আহসানুল হক, পোর্ট অব কোপারের প্রতিনিধি বাণিজ্যিক পরিচালক এইচই মিটজা ডজসি, সেøাভেনিয়ার বাংলাদেশের অনারে কনসাল এইচই মিহা গ্রোজনিক, কোপার বন্দরের ম্যানেজার (বিক্রয়) বোরুত সেমরল, ঢাকায় সেøাভেনিয়ার কনস্যুলেটের সাদেকুল কবির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিজিএমইএর সহ-সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে বহির্বিশ্বে প্রতিযোগিতামূলক করার জন্য ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরগুলোর সময়ক্ষেপণ ও জাহাজ জট এড়ানো, সময় ও খরচ কমানোর স্বার্থে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন রপ্তানিতব্য দেশগুলোয় পণ্য প্রেরণে সরাসরি জাহাজ চালু হলে মধ্য-পূর্ব ইউরোপে আমাদের পোশাক শিল্পের রপ্তানি আরও সম্প্রসারিত হবে। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৫৫% ইউরোপীয় দেশগুলোয় রপ্তানি হয়ে থাকে।

চট্টগ্রাম বন্দর কার্যক্রম পরিদর্শনে আসায় সেøাভেনিয়ার পোর্ট অব কোপারের প্রতিনিধিদলের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

স্লোভেনিয়ার পোর্ট অব কোপারের কমার্শিয়াল ডিরেক্টর এইচই মিটজা ডজসি বলেন, বাংলাদেশ থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোয় তৈরি পোশাকসহ বিপুল পণ্য চালান বিভিন্ন ট্রান্সশিপমেন্ট বন্দরের মাধ্যমে রপ্তানি হচ্ছে। এতে বিপুল অর্থ ব্যয়সহ অতিরিক্ত সময় নষ্ট হচ্ছে। এক্ষেত্রে পণ্য পরিবহনে সেøাভেনিয়ার পোর্ট অব কোপারের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দরের সরাসরি জাহাজ পরিচালনা করা হলে সময় ও অর্থ অনেকাংশে সাশ্রয় হয়ে রপ্তানি বাণিজ্যের সক্ষমতা বৃদ্ধি পারে এবং রপ্তানি বাণিজ্যে সম্ভাবনার দ্বার উম্মোচন হবে। সরাসরি পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে স্লোভেনিয়ার পোর্ট অব কোপারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সব সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।

বিজিএমইএর সহসভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, কভিড সংক্রমণ পরবর্তীতে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় জাহাজ ও কনটেইনার ভাড়া বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রপ্তানির সক্ষমতা বজায় রাখার স্বার্থে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সরাসরি পণ্য পরিবহনের কোনো বিকল্প নেই।