খবর দিনের খবর

সড়ক নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে মডেল হিসেবে দেখতে চায় বিশ্বব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বিশ্বব্যাংক আমাদের উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে অন্যতম। বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় আমাদের অনেকগুলো চলমান প্রকল্প রয়েছে, এগুলো আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করব। সম্ভাবনাময়ী খাতগুলো নিয়ে কাজ করার প্রতি বিশ্বব্যাংক গুরুত্বারোপ করার বিষয়টি বলেছে। তার মধ্যে আমাদের নদীপথ অধিক কার্যকর করার বিষয়টি অন্যতম। এটির মাধ্যমে কম খরচে ও সহজে অধিক পণ্য পরিবহন সম্ভব। সড়কের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশ্বব্যাংক গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এ খাতে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে প্রকল্প তৈরি ও অর্থায়নে প্রস্তুত। যতো অর্থের প্রয়োজন হোক না কেন তা দিতে প্রস্তুত বিশ্বব্যাংক। সম্ভাবনাময়ী খাতগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য বিশ্বব্যাংকের পরমর্শও নেওয়া হবে। সম্ভাবনাময়ী ব্লু-ইকোনমি খাতেও কাজ করতে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে মন্ত্রী নিজ কার্যালয়ে বিশ্বব্যাংকের আবাসিক প্রতিনিধি মার্সি মিয়াং টেম্বনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এ কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।
মার্সি টেম্বন বলেন, বাংলাদেশ অকল্পনীয় উন্নতি সাধন করেছে, ২০০৭ সালে আমি যখন প্রথম বাংলাদেশে এসেছিলাম। তখনকার বাংলাদেশ এখনকার বাংলাদেশ তো আমি চিনতেই পারিনি। বাংলাদেশের অবকাঠামোগত সুবিধাসহ আর্থিক বিষয়ে ব্যাপক উন্নত হয়েছে। সড়কের নিরাপত্তার বিষয়টি বিশ্বব্যাংক অত্যন্ত জোর দিচ্ছে এবং বিশ্বব্যাংকের আঞ্চলিক ভাইস প্রেসিডেন্ট হাডিন শেফার ও জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক মুখপাত্র চলতি মাসের ২৩-২৪ এ লক্ষ্যে বাংলাদেশে ভ্রমণ করবেন। সড়ক নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে একটি মডেল দেশ হিসাবে দেখতে চায় বিশ্বব্যাংক। নদী, পানি ও ব্লু-ইকোনমিতে বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে। মূলত আমি বাংলাদেশকে বিশ্বের কাছে ব্র্যান্ডিং করতে এসেছি। ব্লু-ইকোনোমির ৮৮ শতাংশ কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। আসন্ন বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভায় আমি বাংলাদেশের অজনা সাফল্যের কাহিনি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরব এবং বাংলাদেশের জন্য সাধ্যমত আইডিএ ফান্ড প্রাপ্তির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করব বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

সর্বশেষ..