বিশ্ব সংবাদ

হংকংয়ে পুলিশ ট্র্যাকিং অ্যাপ সরিয়ে নিল অ্যাপল

Hong Kong police advance on protesters during clashes the Wanchai district in Hong Kong on October 6, 2019. - A Hong Kong judge on October 6 rejected a challenge to an emergency law criminalising protesters wearing face masks as democracy activists hit the streets again in defiance of the ban despite half the city's subway stations remaining closed. (Photo by Nicolas ASFOURI / AFP) (Photo by NICOLAS ASFOURI/AFP via Getty Images)

শেয়ার বিজ ডেস্ক: তীব্র চাপের মুখে হংকংয়ের পুলিশ ট্র্যাকিং অ্যাপ সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যাপল। পুলিশের অবস্থান ও টিয়ার গ্যাসের ব্যবহার সম্পর্কে জানতে অ্যাপটি ব্যবহার করছিল সেখানকার সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীরা। এইচকেম্যাপ ডট লাইভ অ্যাপটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, অ্যাপটি স্থানীয় বাসিন্দা এবং আইনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
এদিকে বৃহস্পতিবার হংকংয়ে বিক্ষোভকারীরা বড় আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়ার পর সেখানকার শপিংমলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের লক্ষ্যে পরিণত হতে পারে, এমন আশঙ্কাং শপিংমলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। খবর: রয়টার্স, বিবিসি, গার্ডিয়ান।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় শপিং সেন্টারগুলোর একটি হংকং। তবে প্রায় চার মাস ধরে চলা সহিংস আন্দোলনের কারণে সেখানকার শপিংমলগুলো সংকটের মধ্যে রয়েছে। সেখানকার বেশকিছু শপিংমলে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। অনেকগুলো সেখানকার আন্দোলনকারীদের বিক্ষোভের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। চলমান আন্দোলনের ফলে এশিয়ার ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হংকং কঠিন সময় পার করছে।
মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অ্যাপ ব্যবহার করে আন্দোলন করছেন বিক্ষোভকারীরা। অ্যাপল জানিয়েছে, অ্যাপটি ব্যবহারের কারণে সেখানকার অনেক ব্যবহারকারী উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। স্থানীয় সাইবার নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে দেখা গেছে, অ্যাপটি পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হচ্ছে। এছাড়া সেখানকার স্থানীয় বাসিন্দারাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।
অ্যাপল তার স্টোর থেকে অ্যাপটি সরিয়ে নিলেও এর একটি ওয়েবসাইট ভার্সন এখনও থেকে গেছে। এছাড়া গুগল প্লে-স্টোরেও অ্যাপটি রয়েছে। তবে অ্যাপটির কারণে চীনা গণমাধ্যমের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে অ্যাপল। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির গণমাধ্যম দ্য পিপলস ডেইলির প্রতিবেদনে অ্যাপটির নাম উল্লেখ না করেই অ্যাপলের সমালোচনা করে বলা হয়, তারা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের দ্বার খুলে দিচ্ছে।
ওই অ্যাপটির মাধ্যমে দাঙ্গা দমন ও বিশেষ শাখার পুলিশ এবং তাদের যানবাহনের প্রকৃত অবস্থান জানতে পারেন আন্দোলনকারীরা। কোথায় টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করা হচ্ছে তাও জানার সুযোগ রয়েছে। পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের জড়ো হওয়ার মাধ্যম হয়ে উঠেছে অ্যাপটি। গত ৫ অক্টোবর চালুর পর মাত্র পাঁচ দিন সেটি সবার জন্য উš§ুক্ত ছিল।

সর্বশেষ..