দিনের খবর প্রথম পাতা

হোটেল-রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়া যাবে না

বন্ধ থাকছে ট্রেন, লঞ্চ ও দূরপাল্লার বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক: লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মেয়াদ আরও সাত দিন বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে হোটেল-রেস্তোরাঁর নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

এতে বলা হয়, খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো কেবল খাদ্য বিক্রি/সরবরাহ করতে পারবে। এর আগে গত ৫ এপ্রিল থেকে সাত দিনের লকডাউন ঘোষণার প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, এ সময়ে হোটেল-রেস্তোরাঁ খোলা থাকবে, পার্সেল করা যাবে। তবে হোটেল-রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়া যাবে না।

কভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আট দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৩টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে তিন দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়, নির্দেশনায় আসে সংশোধন। লকডাউনের সর্বশেষ মেয়াদ শেষ হয়েছে গতকাল রোববার মধ্যরাতে।

এদিকে বিধিনিষেধ বা ‘লকডাউনে’ গণপরিবহন তথা লঞ্চ, ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস চলাচলের অনুমতি দেয়নি সরকার। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলার মধ্যে বাস চলাচল করবে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ লকডাউন বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে বলেছে, আগের শর্তের ধারাবাহিকতায় বিধিনিষেধের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে।

গণপরিবহন নিয়ে আগের বিধিনিষেধের মধ্যে জেলার মধ্যে বাস চলার অনুমতি থাকলেও লঞ্চ, ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত ছিল।

ঈদের পর দূরপাল্লার বাস চলার অনুমতির জন্য পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা ঈদের দিন দেশের বাস টার্মিনালগুলোয় অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কথা ভেবে তাতে সাড়া দেয়নি সরকার।

আগামী এক সপ্তাহ লকডাউন শেষে করোনা পরিস্থিতির ওপর বিবেচনা করে দূরপাল্লার বাস চলার বিষয়ে সরকার চিন্তা-ভাবনা করবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

তিনি বলেন, এখনই দূরপাল্লার বাস চলার অনুমতি দেয়া হচ্ছে না। আগের শর্তে আগামী এক সপ্তাহ লকডাউন চলবে।

ঈদে দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ ও ট্রেন বন্ধ থাকায় মানুষ ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক-পিকআপভ্যান ও ফেরিতে গাদাগাদি করে বাড়ি ফিরেছেন। এতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..