প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

হ া ও য় া  ব দ ল: ঠাকুরগাঁও

 

ছোট জেলা ঠাকুরগাঁও। তবে ঐতিহ্যসমৃদ্ধ একটি জনপদ। আমাদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সাক্ষী হতে চাইলে ঘুরে আসুন ঠাকুরগাঁও থেকে।

যা দেখবেন

জেলায় অনেক পুরোনো মসজিদ, রাজবাড়ি ও দিঘি রয়েছে। বালিয়াডাঙ্গী সূর্যপূরী আমগাছ, ফান সিটি অ্যামিউজমেন্ট পার্ক, জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ, মেদিনী সাগর মসজিদ, গেদুড়া মসজিদ, সনগাঁ শাহী মসজিদ, ফতেহপুর মসজিদ, রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি, হরিপুর রাজবাড়ি, জগদল রাজবাড়ি, নেকমরদ মাজার, মহেশপুর মহালবাড়ি, বিশবাঁশ মাজার, শালবাড়ি ইমামবাড়া, গড়খাঁড়ি, কোরমখান গড়, বাংলা গড়, যাদুরানী হাট, লাহিড়ী হাট প্রভৃতি।

যেভাবে যাবেন

সড়কপথে রাজধানীর শ্যামলী-রিং রোড, আসাদগেট, টেকনিক্যাল, কল্যাণপুর থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের উদ্দেশে বেশ কিছু এসি ও

নন-এসি বাস ছেড়ে যায়। এর মধ্যে হানিফ, শ্যামলী, নাবিল, বাবলু ও কেয়া পরিবহনের যাত্রীসেবা তুলনামূলক ভালো। জেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত। মিশুক, টেম্পো,

মিনিবাস, রিকশায় চড়ে জেলার অন্য উপজেলায় যেতে পারবেন। সড়কপথ ছাড়াও জেলা শহর ও পীরগঞ্জ উপজেলার মধ্যে রেলপথ রয়েছে।

যেখানে থাকবেন

সরকারি পর্যায়ে ঠাকুরগাঁও সার্কিট হাউজ রয়েছে। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় রয়েছে কয়েকটি উন্নতমানের হোটেল। এর

মধ্যে হোটেল সালাম ইন্টারন্যাশনাল,

প্রাইম ইন্টারন্যাশনাল, শাহ্জালাল,

সাদেক উল্লেখযোগ্য।

যা খাবেন

দেশের প্রায় সব ধরনের খাবার পাওয়া যায় ঠাকুরগাঁওয়ে। বিশেষ করে রুটি, পাট ও লাফা শাকের ঝোল, সিদলের ভর্তা, টাকি মাছের ভর্তা, পেল্কা, মুড়ির নাড়–, চিড়ার চিপড়ি প্রভৃতি জনপ্রিয়।