কোম্পানি সংবাদ পুঁজিবাজার

১০০ কোটি টাকার জিরো কুপন বন্ড ছাড়বে এএফসি এগ্রো

নিজস্ব প্রতিবেদক: ওষুধ ও রসায়ন খাতের কোম্পানি এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ ১০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টেবল জিরো কুপন বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রাপ্ত তথ্যমতে, ব্যাংকঋণ পরিশোধ এবং চলতি মূলধন জোগানের জন্য এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেড নন-কনভার্টেবল জিরো কুপন বন্ড ইস্যু করে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বন্ডের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। এবং বন্ডটির স্থির সুদহার হবে ১১ শতাংশ। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) অনুমোদন সাপেক্ষে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে।

এদিকে সম্প্রতি ২০১৯ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য কোম্পানিটি ১০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে তিন টাকা ২২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ২৯ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য আগামী ৩১ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় রাজধানীর কাকরাইলে অবস্থিত আইডিইবি ভবনে এজিএম অনুষ্ঠিত হবে। এজন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ ডিসেম্বর।

এদিকে গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর এক দশমিক ১৯ শতাংশ বা ৩০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ২৫ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২৪ টাকা ৭০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২৪ টাকা ৭০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়। দিনজুড়ে কোম্পানিটির ৬৮ হাজার ৬৫৭টি শেয়ার মোট ১৩৮ বার হাতবদল হয়। যার বাজারদর ১৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা। গত এক বছরে কোম্পানির শেয়ারদর ২১ টাকা থেকে ৩৬ টাকায় ওঠানামা করে।

এর আগে কোম্পানিটি ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই বছর কোম্পানির ইপিএস হয়েছিল তিন টাকা ৯২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি এনএভি ছিল ১৮ টাকা ৪৭ পয়সা। আর মুনাফা হয়েছিল ৩৫ লাখ ৬৭ হাজার টাকা।

কোম্পানিটি ২০১৪ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে অবস্থান করছে। ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১০৪ কোটি ৭৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির মোট ১০ কোটি ৪৭ লাখ ৪২ হাজার শেয়ার রয়েছে। ডিএসই থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যমতে, কোম্পানির মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা বা পরিচালকদের কাছে ৩০ দশমিক ২৯ শতাংশ শেয়ার, প্রাতিষ্ঠানিক ৩৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে ৩২ দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ শেয়ার।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..