কোম্পানি সংবাদ

১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন বাড়াবে এমএল ডায়িং

নিজস্ব প্রতিবেদক

বস্ত্রখাতের কোম্পানি এমএল ডায়িং লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ১০০ কোটি টাকা বাড়লে কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন হবে ৩১০ কোটি টাকা। এছাড়া ৩০ জুন ২০১৯ সমাপ্ত হিসাববছরের জন্য পাঁচ শতাংশ নগদ ও ১৫ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

ব্যবসা সম্প্রসারণ ও চলতি মূলধন জোগানের লক্ষ্যে সঞ্চিত আয় মূলধন হিসেবে ব্যবহার করার জন্য বোনাস লভ্যাংশ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। আর এই বোনাস শেয়ার পুঞ্জীভূত মুনাফা থেকে দেওয়া হবে। এছাড়া কোম্পানির ক্যাপিটাল রিজার্ভ কিংবা রিভ্যালুয়েশন রিজার্ভ অথবা আন-রিয়েলাইজড গেইন অথবা পরিশোধিত মূলধন কমিয়ে, অথবা এমন কোনো উৎস থেকে এই বোনাস দেওয়া হবে না, যার কারণে ডিভিডেন্ড-পরবর্তী রিটেইনড আর্নিংস নেগেটিভ অথবা ডেবিট ব্যালেন্স হয়।

আলোচিত সময়ে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা সাত পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩০ পয়সা। আর শেয়ারপ্রতি নগদ অর্থপ্রবাহ হয়েছে ৮৮ পয়সা। ঘোষিত লভ্যাংশ বিনিয়োগকারীদের সম্মতিক্রমে অনুমোদনের জন্য এবং অনুমোদিত মূলধন বাড়ানোর জন্য আগামী ১৯ ডিসেম্বর যথাক্রমে বেলা সাড়ে ১১টায় ও ১২টায় তেপান্তর হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, স্কয়ার মাস্টার বাড়ি, জমিরদিয়া, ভালুকা ময়মনসিংহে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ও বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ নভেম্বর।

এদিকে গতকাল ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর সাত দশমিক ১২ শতাংশ বা দুই টাকা ৪০ পয়সা কমে প্রতিটি সর্বশেষ ৩১ টাকা ৩০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩১ টাকা ৭০ পয়সা। দিনজুড়ে আট লাখ ১৮ হাজার ৩৩২টি শেয়ার মোট এক হাজার ২১২ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর দুই কোটি ৬৫ লাখ ৭৯ হাজার টাকা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনিম্ন ৩১ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩৫ টাকায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ২২ টাকা ৪০ পয়সা থেকে ৫৯ টাকা ৮০ পয়সায় ওঠানামা করে।

এর আগে ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে এক টাকা ৩৫ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ২৫ টাকা ৬ পয়সা, যা তার আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৫৮ পয়সা ও ২৩ টাকা ৭১ পয়সা।

২০১৮ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ‘এ’ ক্যাটেগরির এ কোম্পানি। অনুমোদিত মূলধন ২১০ কোটি এবং পরিশোধিত মূলধন ১৯২ কোটি ৪৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ১৭৯ কোটি ৩৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

কোম্পানিটির মোট ১৯ কোটি ২৪ লাখ ৯২ হাজার শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৩১ দশমিক ৪০ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২২ দশমিক ৭০ শতাংশ, বিদেশি বিনিয়োগকারী ২১ দশমিক ৮৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৪ দশমিক এক শতাংশ শেয়ার রয়েছে। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ২৩ দশমিক ৪৮ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ২৩ দশমিক ৭৮।

সর্বশেষ..