খবর

১০০ কোটি ডলার বেশি ঋণ দেবে আইডিএ: অর্থমন্ত্রী  

 নিজস্ব প্রতিবেদক : বিশ্বব্যাংকের সহযোগী সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি’ (আইডিএ) আগামী তিন বছরে বাংলাদেশকে ৩০০ কোটি ডলার ঋণ দেবে, যা চলমান ঋণ সহায়তা থেকে ১০০ কোটি ডলার বেশি।

গতকাল সোমবার সচিবালয়ে বিশ্বব্যাংকের ফাইন্যান্স অ্যান্ড মার্কেটস গ্লোবাল প্র্যাকটিস বিভাগের পরিচালক সেবাস্টিয়ান-এ মলিনিয়াসের নেতৃত্বে সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সাংবাদিকদের এ কথা জানান। অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আইডিএ তার সদস্য দেশগুলোর জন্য ২০১৮ সালে সাড়ে সাত হাজার কোটি ডলার (আইডিএ-১৮) ঋণ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর একটি বড় অংশ বাংলাদেশ পাবে। আইডিএ-১৭-তে এর পরিমাণ ছিল পাঁচ হাজার ২০০ কোটি ডলার। এই প্রবৃদ্ধি বেশ ভালো। প্রায় ৫০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি। আইডিএ-১৮ বড় হলে আমাদের অংশও বড় হবে।’ তিনি জানান, আইডিএ’র চলতি মেয়াদ আগামী জুনে শেষ হয়ে যাবে। এর আগেই অবশিষ্ট পাঁচ মাসের জন্য আমরা বর্ধিত সুদে ৫০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছিলাম। কিন্তু খাতগুলো সুনির্দিষ্ট না থাকায় বিশ্বব্যাংক বলেছে, এটা সম্ভব নয়। তবে আইডিএ’র মাধ্যমে আগামী তিন বছরের জন্য বাংলাদেশকে অতিরিক্ত ১০০ কোটি ডলার বাড়তি ঋণ সহায়তা দেওয়া হবে। ফলে দুই বিলিয়ন ডলারের পরিবর্তে তিন বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তা পাবে বাংলাদেশ। অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে ২০১৭ সালে পাইপলাইনে থাকা কিছু প্রকল্প নিয়ে আমরা কথা বলেছি। সেখানে একটা বড় প্রোগ্রাম হচ্ছে ৩০০ মিলিয়ন হাউজিংয়ের জন্য, আরেকটি প্রোগ্রাম আছে স্কিলআপ ফ্যাসিলিটি নিচ্ছি, এটা হচ্ছে কোনো প্রকল্পের জন্য অপেক্ষাকৃত বেশি সুদে টাকা নেওয়া। এটার জন্য প্রয়োজন ৩০০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া ব্যাংকিং খাত সংস্কার ইস্যুতেও তারা ঋণ সহায়তা দিতে চায়। তবে এর পরিমাণ জানানো হয়নি। এজন্য যৌথভাবে রোডম্যাপ তৈরি করা হচ্ছে। যদি এটা এ সময়ে সম্ভব না হয়, তাহলে তা আইডিএ’র  আগামী প্রান্তিকে যুক্ত হবে। তিনি বলেন, আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি ডিজিটালাইজেশন। এটাতে বাংলাদেশ বেশ অগ্রগামী। এটা নিয়ে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বিস্তারিত কথা হয়েছে। ডিজিটাল পেমেন্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, এটা দুর্নীতি কমিয়ে আনতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। এ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে। পুঁজিবাজার সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ক্যাপিটাল মার্কেট ভালো যাচ্ছে। এটাকে আরও বেগবান করতে হবে। আর আমাদের বন্ড মার্কেট নেই। অনেকদিন ধরে আমরা বন্ড মার্কেটের কথা বলি, এটা নিয়ে কিছু করতে হবে। একটা কমিটি এজন্য কাজ করছে।’

 

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..