খবর

১০ টাকার চাল বিক্রিতে সময় বাড়ছে দুই মাস

নিজস্ব প্রতিবেদক: কৃষকের কাছ থেকে বেশি পরিমাণে কেনা ধান সংরক্ষণের জন্য গুদামের জায়গা খালি করতে ১০ টাকা কেজির চাল বিক্রির সময় দুই মাস বাড়ানোর কথা ভাবছে সরকার। গতকাল সচিবালয়ে কৃষি প্রণোদনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক এ কথা জানান।

কৃষকদের ফসলের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে নতুন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি না জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আসলে কোনা কর্মসূচি এখনও ঘোষণা করিনি, ধানের দামটা কত হবে এবং কীভাবে আরও বেশি-সংখ্যক চাষিকে প্রণোদনা দিতে পারি আজ বৃহস্পতিবার মিটিং হবে।’

এ বিষয়ে গত সোমবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীও চাচ্ছেন, একটি বুদ্ধি বের করে কীভাবে চাষিদের (ন্যায্য দাম) দেওয়া যায়। ধান বা চাল আমরা কিনলাম বেশি।’

বেশি ধান রাখার জন্য গুদামের চাল খালাসের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘একটা মোটামুটি ইঙ্গিত-কালকে সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত হবেÑ১০ টাকা কেজি যে চাল আমরা দেই, এটার পরিমাণ বৃদ্ধি করে বেশি-সংখ্যক মানুষকে আরও দুই মাস বেশি দেওয়া হবে। এখন পাঁচ মাস দেওয়া হয়, আরও দুই মাস বাড়ানো হবে।’

উল্লেখ্য, ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির’ আওতায় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে দেশের অতি দরিদ্র ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হচ্ছে। সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এবং মার্চ ও এপ্রিল এ পাঁচ মাসে একবার করে ৩০ কেজি চালের একটি বস্তা কার্ডধারী দরিদ্র পরিবারকে দেওয়া হয়। তবে প্রকৃত দরিদ্ররা না পাওয়াসহ এ চাল বিতরণ নিয়ে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ আছে।

এদিকে গ্রামের চৌকিদার বা গ্রাম্য পুলিশকেও ১০ টাকা কেজি চালের সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আগে বেশিরভাগ চাল কেনা হতো। আমরা যদি ১২ লাখ টন চাল কিনি তাহলে বেশি ধান কেনা যাবে। ছয় থেকে সাত লাখ টন ধান কেনার প্রস্তুতি আমার নিচ্ছি যেটির সিদ্ধান্ত হবে বৃহস্পতিবার।’

আরও বেশি ধান কিনতে মিলারদের সম্পৃক্ত করতে গুদামে ধান রাখার বিষয়ে পরিকল্পনার কথা জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘মিলারদের গুদামে আমরা ধান রাখলাম, তাদের গুদামে রাখার আলাদা খরচ দেব।

 একটি ম্যাকানিজম বের করছি কারণ আমাদের গুদামের স্বল্পতা রয়েছে, আমি বেশি কিনতে পারি না।’

ট্যাগ »

সর্বশেষ..