সুশিক্ষা

১৪ পেরিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এমএম মুজাহিদ উদ্দীন বলেন, বিশ্বের বুকে অনন্য স্থান করে নেবে আমাদের জবি। বিসিএস, ব্যাংক, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা, উদ্যোক্তাসহ দেশের সব সেক্টরে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দৃপ্ত পদচারণ চোখে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, জার্মানি, দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, মালয়েশিয়া, তুরস্ক, যুক্তরাজ্যসহ বিশ্বের অনেক দেশে শিক্ষার্থীরা গবেষণা ও শিক্ষকতায় নিয়োজিত রয়েছেন। খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শিক্ষার্থীদের অর্জন উল্লেখযোগ্য। তবে দুঃখের বিষয়, এ ১৪ বছরে শিক্ষার্থীদের আবাসনের ব্যবস্থা করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। তবু আশাবাদী আমরা, একদিন এ বিশ্ববিদ্যালয়ে সবুজ মাঠ থাকবে, জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুল, গবেষণাগার, আধুনিক গ্রন্থাগারসহ সুযোগ-সুবিধা থাকবে। বিশ্বের বুকে অনন্য স্থান করে নেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

একই বিভাগের আফিয়া ইসলাম রিফা বলেন, এখানকার শিক্ষকরা মানুষ তৈরির কারিগর। দেশ ও দেশের বাইরে সফলতার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন এখানকার শিক্ষার্থীরা।

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিস বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষে পড়ালেখা করছেন তাসপিয়া ইসলাম। তার মতে, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উন্নতির শিখরে আহরণ করছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও ল্যাবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গ্রন্থাগার,

ই-লাইব্রেরি ও ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধা। একই সঙ্গে বেড়েছে নতুন রুটে শিক্ষার্থীদের পরিবহন ব্যবস্থা। আগামী বছর অনুষ্ঠিত হবে প্রথম সমাবর্তন। অপ্রাপ্তিও রয়েছে। একমাত্র ছাত্রী হল নির্মাণকাজের মন্থর গতি আবাসন প্রত্যাশী শিক্ষার্থীদের অন্যতম কষ্টের কারণ। বাসের ডাবল শিফট চালুর ব্যাপারে এখনও আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়নি।

কথা হয় আরেক শিক্ষার্থী লোকপ্রশাসন বিভাগের মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে। তিনি বলেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও ঐতিহ্য আজ শেকড় থেকে শিখরে। বুড়িগঙ্গার কোলঘেঁষে এ ছোট্ট ক্যাম্পাস হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থীর পদচারণে মুখর থাকে প্রতিদিন। শত সীমাবদ্ধতাকে পাশ কাটিয়ে অদম্য ইচ্ছায় এগিয়ে চলেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মো. শাহজালাল শাহীন বলেন, বাংলাদেশের জ্ঞানচর্চার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। সহশিক্ষা কার্যক্রমেও আমরা পিছিয়ে নেই। ক্যারিয়ার ক্লাব, ডিবেটিং সোসাইটি, বাঁধন, আইটি সোসাইটি, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, ব্যান্ড সোসাইটি, রোভার স্কাউট, বিএনসিসিসহ নানা সংগঠনের কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের আগামীর জন্য তৈরি করে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শামীম আরা হীরা বলেন, শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের যৌথ প্রয়াসে জবি পৌঁছে যাবে অনন্য স্থানে। ১৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এ শুভকামনা রইলোÑপথের সব বাধা কাটিয়ে একদিন সাফল্যের স্বর্ণশিখরে পৌঁছাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়। হ

সর্বশেষ..