দিনের খবর বাণিজ্য সংবাদ শেষ পাতা

১৫ শতাংশ আয়কর প্রত্যাহার চায় বিপিএমসিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক: সব বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ আয়কর রহিত করার প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএমসিএ)। এর যৌক্তিকতা হিসেবে বিপিএমসিএ জানিয়েছে, দেশে বিদ্যমান বেসরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন ও পরিচালনা নীতিমালা-২০১১ অনুযায়ী সব বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। ফলে এখান থেকে অর্জিত সব আয় মেডিকেল কলেজের উন্নয়ন খাতে ব্যয় করা হয়।

গতকাল জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সম্মেলন কক্ষে ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় এ দাবি জানানো হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিম।

বিপিএমসিএ’র পক্ষে সংগঠনটির সভাপতি এমএ মুবিন খানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি দল এই প্রাক-বাজেট আলোচনায় অংশ নেয়। পাঁচ সদস্যের মধ্যে অন্যরা হলেন আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান, ইস্ট-ওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. মোয়াজ্জেম হোসেন, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মাইনুল ইসলাম ও ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের চেয়ারম্যান পৃথী চক্রবর্তী। এছাড়া সভায় এনবিআর সদস্য, প্রথম সচিব, দ্বিতীয় সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিপিএমসিএ সভাপতি ও ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএ মুবিন খান ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে অন্তর্ভুক্তির জন্য সংগঠনটির সুপারিশমালা তুলে ধরেন। যার মধ্যে রয়েছে, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রোগীর চিকিৎসায় ব্যবহƒত যেসব যন্ত্রপাতি এবং জীবন রক্ষাকারী ওষুধ দেশে তৈরি হয় না, তা ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানি হলে সেক্ষেত্রে আমদানি শুল্ক রহিতকরণের অনুরোধ। যৌক্তিকতা হিসেবে বলা হয়, এ সুবিধা পেলে আরও কম খরচে বা কিছু ক্ষেত্রে বিনামূল্যে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। এছাড়া মূসক-সংক্রান্ত প্রস্তাবও দেওয়া হয়। সেবা খাতের সব বাড়ি/অফিস ভাড়ার ওপর চার শতাংশ হারে মূসক নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়। যৌক্তিকতা হিসেবে তুলে ধরে বলা হয়, এ খাত শ্রমনির্ভর এবং সাধারণ মানুষ সরাসরি সুফল ভোগ করে। বেশিরভাগ সেবা খাত ভাড়া করা কার্যালয় হতে পরিচালিত হয়। এছাড়া জনসাধারণের জন্য কর ব্যবস্থা আরও কীভাবে সহজ ও উন্নত করা যায়Ñএ নিয়েও সুপারিশ করা হয়। এমএ মুবিন খান বলেন, আমাদের এ প্রস্তাবনা জাতীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, সরকারের ভিশন-২০২১ ও ২০৪১, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রক্রিয়াসহ স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করবে।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..