আজকের পত্রিকা দিনের খবর শেষ পাতা সারা বাংলা

২০০ টাকার ভাড়া এক হাজার ৩০০ টাকা, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

প্রতিনিধি, টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নলীন থেকে ঢাকার মহাখালীতে প্রাইভেটকারে যাচ্ছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আরমান হোসেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘ঈদের ছুটি শেষ। অফিস খুলে গেছে। কিন্তু গণপরিবহন বন্ধ। তাই প্রাইভেটকারই ভরসা। কিন্তু যেখানে বাসভাড়া ছিল ২০০ টাকা, সেখানে প্রাইভেটকারে একাধিক যাত্রীর সঙ্গে জনপ্রতি ভাড়া গুনতে হচ্ছে এক হাজার ৩০০ টাকা!’ 

শুধু আরমান নন। এমন অসংখ্য মানুষ ঈদের ছুটি কাটিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া ও স্বাস্থ্যঝুঁকিকে সঙ্গী করেই আবার কর্মস্থলে ফিরে যাচ্ছেন।

করোনাভাইরাসের কারণে পরিবারের সঙ্গে অনেকটা নিরানন্দ ঈদ উদ্‌যাপন শেষে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। ঈদের পরদিন মঙ্গলবার বিকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ঢাকামুখী মানুষের কিছুটা চাপ থাকলেও আজ বুধবার সকাল থেকেই তা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় করোনাভাইরাসের আতঙ্ক নিয়েই মানুষ পিকআপ, লেগুনা, মাইক্রোবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ভ্যান ও মোটরসাইকেলে কয়েক গুণ বেশি ভাড়ায় ঢাকার দিকে যাচ্ছেন।

অধিক ভাড়ার কারণে এবং যানবাহন না পেয়ে অনেকে আবার পায়ে হেঁটেই রওনা দিয়েছেন গন্তব্যে। মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্বপাড়, এলেঙ্গা, টাঙ্গাইল বাইপাস ও মির্জাপুরে মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

এদিকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়ে চালকরা নানা অজুহাতসহ মহাসড়কে নানা হয়রানি হওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ করে জানান, অতিরিক্ত খরচের টাকা ভাড়া হিসাবে যাত্রীদেরই বহন করতে হবে। নয়তো পায়ে হেঁটেই তাদের কর্মস্থলে যেতে হবে।

এ বিষয়ে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন জানান, আমরা চেকপোস্ট পরিচালনা করছি, যাতে গণপরিবহন ও ট্রাকে কোনো মানুষ যাতায়াত না করতে পারে। তবে নিজস্ব পরিবহন চলাচলে কোনো বাধা দেওয়া হচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..