টেলকো টেক

২০৪১ সালের মধ্যে রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট হাব হবে বাংলাদেশ


গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করবে কোয়ার্টজ ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড। ৫ ডিসেম্বর এ লক্ষ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। আইসিটি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন। চুক্তির আওতায় বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটির পাঁচ নম্বর ব্লকে ডেভেলপার প্রতিষ্ঠান সামিট টেকনোপলিশ লিমিটেডের ফ্যাক্টরির দ্বিতীয় তলায় কাজ করবে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলাদেশ ও তাইওয়ানের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত কোয়ার্টজ ম্যানুফ্যাকচারিং ৩ঝ গ্রুপ অব কোম্পানিজের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান।
আইপি ফোন, বায়োমেট্রিক ডিভাইস, সিকিউরিটি সিস্টেম হার্ডওয়্যার, সোলার প্যানেল ও আইপি পিএবিএক্সের অ্যাসেম্বলিং ও ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প স্থাপন করবে কোয়ার্টজ। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার সিকিউরিটি সিস্টেম সার্ভিলেন্স ও নেটওয়ার্কিং নিয়ে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক পর্যায়ে পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে, যা পরবর্তী সময়ে ১২ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৩০০ জনের কর্মসংস্থান হবে বলে সামিট টেকনোপলিশ জানিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে উৎপাদিত পণ্য শুরুতে ভারত, শ্রীলঙ্কা, ভুটান, নেপাল ও মালদ্বীপে রফতানি করা হবে। পরবর্তী সময়ে আমেরিকা ও আফ্রিকা মহাদেশের কয়েকটি দেশে রফতানির লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন কোয়ার্টজ ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহেদ আজম।
আইসিটি প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের এখন শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে মেধানির্ভর অর্থনীতির দিকে মনোনিবেশ করতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ধাক্কা সামলাতে হলে এখনই উচ্চতর প্রযুক্তির দিকে নজর দিতে হবে। বঙ্গবন্ধু হাই-টেক সিটিতে এখন বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা যদি সঠিকভাবে কাজ করে যেতে পারি, তাহলে ২০৪১ সালের মধ্যে বিশ্বের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট হাব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষ, সামিট টেকনোপলিশ ও কোয়ার্টজ ম্যানুফেকচারিংয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন

সর্বশেষ..