২২ দেশে ছড়িয়েছে ওমিক্রন আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ

শেয়ার বিজ ডেস্ক: কভিডের নতুন ধরন ওমিক্রন নিয়ে বিশ্বব্যাপী উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে বিশ্বের ২২টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ওমিক্রন সংক্রমণ। এর বিরুদ্ধে চলমান টিকা কার্যকর কি না, তা নিয়েও জল্পনার শেষ নেই। এ অবস্থায় নতুন এ ধরন নিয়ে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জার্মানির টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী। আর ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ফাইজারের ওষুধ কার্যকর বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। খবর: রয়টার্স।

মঙ্গলবার ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বায়োএনটেকের সিইও ও সহপ্রতিষ্ঠাতা উগুর সাহিন বলেন, ওমিক্রনের কারণে আরও বেশি মানুষ সংক্রমিত হলেও যারা টিকা নিয়েছেন, তারা গুরুতর অসুস্থতা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারবেন।

বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী বলেন, আপনাদের প্রতি আমার বার্তা হচ্ছে, এ নিয়ে অযথা আতঙ্কিত হবেন না। পরিকল্পনা একই রকম রয়েছে। দ্রুত গতিতে ভ্যাকসিনের তৃতীয় ডোজের কর্মসূচি বাড়ানোর প্রতি জোর দিতে বলেছেন তিনি। তিনি উল্লেখ করেছেন, ওমিক্রনের বিরুদ্ধে ভ্যাকসিন হয়তো ডেল্টার মতোই কাজ করবে। উচ্চ মিউটেশনের কারণে ওমিক্রন নিয়ে ভীতি থাকলেও তিনি কাউকে ঘাবড়ে না যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমাদের বিশ্বাস ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ভ্যাকসিন কার্যকর হবে। সম্প্রতি মডার্নার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টিফেন ব্যানসেল ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, বর্তমানে যেসব ভ্যাকসিন রয়েছে, সেগুলো ওমিক্রনের বিরুদ্ধে কম কার্যকর। তার এমন বক্তব্যের পরই বায়োএনটেকের প্রধান নির্বাহী বর্তমান ভ্যাকসিনগুলো নিয়ে আশ্বস্ত করলেন।

ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ফাইজারের ওষুধ কার্যকর: এদিকে ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও ফাইজারের মুখে খাওয়ার ওষুধ কার্যকর বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আলবার্ট বোরলা। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি এ ওষুধ যে কোনো পরিচিত মিউটেশনের বিরুদ্ধে কাজ করবে। এমনকি ওমিক্রনের বিরুদ্ধেও এটি কার্যকর। তবে একই সঙ্গে অন্যান্য ওষুধ নিয়ে কাজ করার কথাও জানিয়েছেন বোরলা।

তিনি বলেন, ফাইজারের মুখে খাওয়ার ওষুধ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা সব ধরনের মিউটেশনের বিরুদ্ধে কাজ করবে।

ওমিক্রন কতটা সংক্রামক বা এর তীব্রতার মাত্র কী, সে সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। দক্ষিণ আফ্রিকার গবেষকরা প্রথম ওমিক্রন শনাক্ত করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনটি অন্তত ৩২টি মিউটেশন (জিনগত গঠনের পরিবর্তন) ঘটিয়েছে। এর বৈজ্ঞানিক নাম দেয়া হয়েছে বি.১.১.৫২৯।

প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন   ❑ পড়েছেন  ৯১১৩  জন  

সর্বশেষ..